spot_img

নেক কাজের সুফল পরিবারেও পৌঁছে

অবশ্যই পরুন

আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.)-এর যুগে দুই ভাই ছিল। তাদের একজন নবীজি (সা.)-এর কাছে (দ্বিন শিক্ষার জন্য) আসত, অন্যজন হাতের কোনো কাজ করে উপার্জন করত। অতঃপর উপার্জনশীল (ভাই) রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে তার ভাইয়ের ব্যাপারে (কাজ না করার) অভিযোগ করল। তখন তিনি বললেন, ‘সম্ভবতঃ তোমাকে তার কারণেই রুজি দেওয়া হচ্ছে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৩৪৫)

শিক্ষা
উল্লিখিত হাদিসের ব্যাখ্যায় গবেষকরা বলেন,
১. পরিবারের সদস্যদের উচিত উপযুক্ত ব্যক্তিকে দ্বিন শেখার সুযোগ করে দেওয়া।
২. যে ব্যক্তি পরিবারের জন্য উপার্জন করে, সে তা সওয়াবের নিয়তে করবে। কেননা আল্লাহ তাঁকে পরিবারের প্রতিপালন ও দান উভয় সওয়াব দান করেন।
৩. উপার্জনকারী ব্যক্তি অন্য সদস্যদের খোঁটা দেবে না, বরং সে ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেবে।
৪. পরিবারের কেউ কোনো নেক কাজ করলে তার সুফল অন্য সদস্যরাও পেয়ে থাকে। তেমনি মন্দ কাজের কুফল অনেক সময় সবার ওপরে পড়ে। তাই পরিবারে নেক কাজের পরিশীলন করা আবশ্যক।
৫. এখানে অন্যের প্রতি সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণের প্রতি উত্সাহিত করা উদ্দেশ্য। অন্যের ওপর নির্ভর করে থাকা উদ্দেশ্য নয়। কেননা পরনির্ভরতা ইসলামী শিক্ষার পরিপন্থী। (মাউসুয়াতুল হাদিসিয়্যা)

সর্বশেষ সংবাদ

আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশনে ৯০ লাখ মানুষের স্বাক্ষর

আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে আজ রাতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনার হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালের আগেই মাঠের বাইরে সৃষ্টি হয়েছে নজিরবিহীন...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ