spot_img

যাকাত ও ফিতরার পার্থক্য, ফিতরা দেয়া কাদের ওপর প্রযোজ্য

অবশ্যই পরুন

ইসলামে আর্থিক ইবাদতের মধ্যে যাকাত ও সদকাতুল ফিতর (ফিতরা) বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। অনেকেই মনে করেন, দুটির মধ্যে হয়তো খুব বেশি পার্থক্য নেই বা একটির মাধ্যমে অন্যটি আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ফিকহবিদদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যাকাত ও ফিতরা সম্পূর্ণ পৃথক দুটি ইবাদত, একটির পরিবর্তে অন্যটি আদায় করা যায় না।

ফিতরা কী ও কার ওপর ওয়াজিব?

সদকাতুল ফিতর ঈদুল ফিতরের দিন (১ শাওয়াল) ভোরে যার কাছে নিজের প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য জিনিসপত্রের বাইরে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ থাকে, তার ওপর ওয়াজিব হয়। এই নির্ধারিত পরিমাণ হলো সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ সম্পদ বা তার বেশি।

এ সম্পদ নগদ অর্থ, সোনা-রুপা বা অন্য যেকোনো সম্পদের আকারে হতে পারে। ফিতরার ক্ষেত্রে সম্পদের ওপর এক বছর পূর্ণ হওয়া শর্ত নয়। ব্যক্তি নিজের পাশাপাশি তার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের পক্ষ থেকেও ফিতরা আদায় করবেন।

রমজান শেষে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের ঈদের আনন্দে সামিল করাই ফিতরার মূল লক্ষ্য।

যাকাতের বিধান ও শর্ত

অন্যদিকে, যাকাত ফরজ হয় বর্ধনশীল সম্পদের ওপর। যেমন-সোনা, রুপা, নগদ অর্থ, ব্যবসায়িক পণ্য ও চারণভূমিতে পালন করা গবাদিপশু। এসব সম্পদের পরিমাণ যদি মৌলিক চাহিদার অতিরিক্ত হয়ে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা বা সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণের মূল্যের সমান হয়, তাহলে যাকাত ফরজ হয়।

তবে যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো,উক্ত সম্পদের ওপর পূর্ণ এক বছর অতিক্রান্ত হতে হবে।

যাকাতের উদ্দেশ্য হলো সমাজে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা, দারিদ্র্য হ্রাস করা এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা।

যাকাত ও ফিতরা-দুটিই ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক বিধান। তবে সময়, শর্ত ও উদ্দেশ্যের দিক থেকে এদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তাই মুসলমানদের উচিত সঠিক জ্ঞান অর্জন করে নির্ধারিত সময়ে যথাযথভাবে উভয় ইবাদত পালন করা।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকায় জাপানের প্রতিনিধিদল দেশটির প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণপত্র...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ