জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিয়ে বিভাগীয় শাস্তি পাওয়া ২০ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।
রাষ্ট্রপতির কাছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।
২০২৫ সালে এনবিআর সংস্কার নিয়ে কর্মকর্তাদের আন্দোলন একপর্যায়ে তীব্র আকার ধারণ করে। ওই সময় দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমেও বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়। পরে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যস্থতায় আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়।
আন্দোলনে সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগে পরবর্তী সময়ে ৩৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয় আইআরডি। তাদের মধ্যে এনবিআরের তিন সদস্য ও একজন কমিশনারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
এর আগে আন্দোলনে জড়িত ২৪ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে আয়কর ক্যাডারের ১৪ জন এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ক্যাডারের ১০ কর্মকর্তা দণ্ড মওকুফের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন।
দণ্ড বাতিল করা কর্মকর্তারদের মধ্যে রয়েছেন— ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল (উপকর কমিশনার, কর অঞ্চল-২১, ঢাকা), মির্জা আশিক রানা (অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-দিনাজপুর), মোনালিসা শাহরীন সুমিতা (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ময়মনসিংহ), মো. মামুন মিয়া (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর), চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী (অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-গাজীপুর), সুলতানা হাবীব (অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-১২, ঢাকা), মুরাদ আহমেদ (অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর), মামুনা খাতুন (যুগ্ম কর কমিশনার, ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, ঢাকা), মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ফরিদপুর), মো. জিল্লুর রহমান।
প্রজ্ঞাপনে দণ্ড মওকুফের ফলে এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেওয়া সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় শাস্তির কার্যকারিতা বাতিল হবে।

