দেশে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অনুমোদিত ডিজিটাল ব্যাংক হলো- কড়ি, বিকাশ, বুস্ট-রবি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় প্রস্তাবিত ৫টি ডিজিটাল ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল
ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য এবার মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। এগুলো হলো—
ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে
আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই
৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
বুস্ট-রবি
আমার ব্যাংক
অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস
নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার
মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক
মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ
বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক
এই আবেদনগুলোর মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিক অনুমোদনের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি নামে দুটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তখন ৫২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক নগদের লাইসেন্সের বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়। আর কড়িকে নীতিমালা শর্ত পূরণের জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। আজকের সভায় নতুন চারটিসহ কড়িকে প্রাথমিক লাইসেন্স দেওয়া হয়।

