spot_img

রাশিয়া-ইউক্রেনে পাল্টাপাল্টি হামলা, একদিনে নিহত ২২

অবশ্যই পরুন

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একদিনে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রাশিয়ায় ১৫ জন এবং ইউক্রেনে ১১ জনের প্রাণহানির তথ্য জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হামলায় আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন মানুষ। উভয় দেশই একে অপরের বেসামরিক এলাকায় হামলার অভিযোগ তুললেও বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

রুশ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৩ আগস্ট) ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন হামলায় ক্রাসনোদার, বেলগোরোদ ও ক্রিমিয়ায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রাসনোদার অঞ্চলের গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ জানান, গেলেন্দঝিক জেলার পর্যটন এলাকা আরখিপো-ওসিপোভকায় ড্রোন হামলায় তিন শিশুসহ সাতজন নিহত এবং প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন। একই দিনে কৃষ্ণ সাগরের উপদ্বীপ ক্রিমিয়ায় পৃথক হামলায় চারজন নিহত ও দুজন আহত হন। এছাড়া ইউক্রেন সীমান্তঘেঁষা বেলগোরোদ অঞ্চলে ড্রোন হামলায় আরও চারজন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে সোমবার ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের কৃভি রিহ জেলায় একটি পেট্রোল স্টেশনে রুশ বিস্ফোরকবাহী ড্রোন আঘাত হানে। এতে একজন জরুরি পরিষেবাকর্মী ও তার আট বছর বয়সী ছেলেসহ তিনজন নিহত হন। দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর ওলেক্সান্দর হানঝা টেলিগ্রামে জানান, হামলার পর পেট্রোল স্টেশনে আগুন ধরে যায় এবং আশপাশের এলাকায়ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সোমবার রাতেই জাপোরিজ্জিয়া অঞ্চলে রুশ বাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই শিশুসহ আরও আটজন নিহত হয়েছেন।

২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর সময় বেসামরিক প্রাণহানি তুলনামূলক কম থাকলেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে মস্কো ও কিয়েভ—দুই পক্ষই দাবি করে আসছে, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় না। এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, পূর্ব ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলের বিলিই কোলোদিয়াজ ও উস্পেনিভকা নামে দুটি বসতি রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া এবং ২০১৫ সালের মিনস্ক চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদের প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর ২০২২ সালে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। আড়াই বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই যুদ্ধ এখনো অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র : ফাস্ট পোস্ট

সর্বশেষ সংবাদ

জাপানের বিরুদ্ধে ‘সামরিক পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শান্তির পথ থেকে ধীরে ধীরে সরে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা চুক্তি জোরদার এবং দূরবর্তী দ্বীপগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ