নিরাপদ বিনিয়োগ ও নিশ্চিত মুনাফার কারণে সঞ্চয়পত্র এখনও সাধারণ মানুষের অন্যতম জনপ্রিয় সঞ্চয়মাধ্যম। গ্রাহকদের সুবিধার্থে বিভিন্ন মেয়াদী সঞ্চয়পত্রের হালনাগাদ মুনাফার হার, বিনিয়োগসীমা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা দেওয়া হলো। (সোনালী ব্যাংক পিএলসির আলোকে)
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে এ সঞ্চয়পত্রে বার্ষিক ১১.৭৬ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যাবে, যা প্রতি লাখে মাসিক ৯৮০ টাকা হিসেবে প্রদান করা হবে।
অন্যদিকে শুধুমাত্র নারীদের জন্য চালু থাকা ৫ বছর মেয়াদী পরিবার সঞ্চয়পত্রে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে ১১.৫২ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যাবে। একইভাবে ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ ১১.০৪ শতাংশ এবং ৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ ১১.২৮ শতাংশ হারে মুনাফা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সঞ্চয়পত্রভেদে একক নামে বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবার সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ, পেনশনার সঞ্চয়পত্রে ৫০ লাখ এবং বাকি দুই ধরনের সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যাবে।
সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের জন্য গ্রাহকের সোনালী বা যে কোনো সরকারি ব্যাংকে নিজ নামে সঞ্চয়ী হিসাব, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কর রিটার্ন স্লিপ জমা দিতে হবে। ১০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন স্লিপ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এ ছাড়া পেনশনার সঞ্চয়পত্র কিনতে হলে পেনশন পেমেন্ট অর্ডার (পিপিও) এবং আনুতোষিক সংক্রান্ত কাগজপত্রও জমা দিতে হবে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে জমা হবে। মেয়াদ শেষে মূল টাকাও সরাসরি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হবে। নবায়নের ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ১০ দিন আগে আবেদন করতে হবে।
উল্লেখ্য, উলেখিত মুনাফার হারসমূহ থেকে নিয়মানুযায়ী সরকারের ট্যাক্স বা উৎস কর কর্তনযোগ্য।

