spot_img

শীতের সবজি এলেও দাম কমেনি, মাছের বাজারও চড়া

অবশ্যই পরুন

মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ। রূপালী ঝিলিকের মোহে রাজধানীর বাজারে ক্রেতাদের ভিড়। কিন্তু ইলিশের দাম শুনে পিলে চমকে উঠছে মধ্যবিত্তের।

অবশ্য বিক্রেতারা বলছেন, এ মৌসুমে বাজারদর কেমন যাবে, তা বুঝা যাবে আরও দুয়েকদিন পর। তাদের চোখে, এবার ডিমওয়ালা ইলিশই ধরা পড়েছে বেশি। কিছুটা বাড়তি অন্য মাছের দামও।

তুলনামূলক কম দামে প্রতি কেজি পাঙাশ ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা, রুই মাছ ৩৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চাষের শিং ৪৫০ টাকা, বড় আকারের কাতল মাছের কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, আইড় ৭০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা এবং দেশি শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা কেজি দরে।

৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজির হিসাবে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম ২ হাজার ৬০০ টাকা।

এদিকে, পোল্ট্রির বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ব্রয়লারের মূল্য দুইদিন ধরে বাড়তি হলেও কমেছে ডিমের দর। লাল ডিমের ডজন বিকোচ্ছে ১৩০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, সোনালি মুরগির দাম কেজিপ্রতি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা।

শীতে সবজির বিক্রি বাড়ায় ডিমের দাম নাগালে থাকে, এমনটা বলছেন বিক্রেতারা। নতুন সবজির দেখা মিললেও চড়া দামের কারণে স্বস্তি নেই ক্রেতাদের।

নতুন আলু কেজিপ্রতি ১৬০ টাকা এবং দেশি টমেটো ১৮০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অধিকাংশ সবজির দাম কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে থাকলেও ঝিঙা, বেগুন, কাঁকরোল, শিম ও টমেটোর মতো কয়েকটি সবজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার বেশি দামে।

দেশে বেসরকারি খাতে গড় মজুবৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। যার প্রভাব পড়েছে বেচাকেনায়। বাজার দর স্বল্প আয়ের নাগালে না আনা গেলে স্বস্তি মিলবে না বলছেন সাধারণ মানুষ।

সর্বশেষ সংবাদ

‘ভারতীয়রা মেঝে থেকে গরুর মূত্র চেটে খায়’, ইহুদি ধর্মপ্রচারকের মন্তব্যে তোলপাড়

গরুর প্রতি হিন্দুদের ধর্মীয় শ্রদ্ধা নিয়ে বিদ্রূপ করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইসরায়েলি-আমেরিকান এক রাব্বি (ধর্মপ্রচারক)। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর)...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ