রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা না চালানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। খবর আনাদোলুর।
তবে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ট্রাম্প লিখেছেন, ‘রাশিয়ার জ্বালানি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা না চালাতে রাজি হয়েছে ইউক্রেন। রাশিয়াও একইভাবে হামলা বন্ধ রাখতে সম্মতি জানিয়েছে।’
বিশ্বজুড়ে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের চেয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ট্রাম্প। তার ভাষায়, ‘বিশ্বজুড়ে ডিজেলের দাম বাড়ার প্রধান কারণ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান নয়।’
প্রায় ৬ মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলো অচল হয়ে গেছে। একই সঙ্গে ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি স্থাপনায় লাগাতার হামলার কারণে মূলত বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, বেড়েছে ডিজেল ও গ্যাসের দাম। তাই বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির দায় এড়াতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে সামনে এনেছেন তিনি।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ইতি টানতে ইরানের সঙ্গে চুক্তি ইস্যুতে এতদিন ট্রাম্প বলে এসেছেন, ‘এখনই উপযুক্ত সময় নয়’। তবে সোমবার সুরে বদলে ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে নীতিগতভাবে রাজি আছেন তিনি।
ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে ট্রাম্প যোগ করেন, ‘পতনোন্মুখ দেশ ইরান দ্রুত ও যেকোনও মূল্যে একটি চুক্তি করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে আলোচনায় যাবে কি না, তা আমি নির্ধারণ করব। তবে নীতিগতভাবে এ ধরনের প্রস্তাবের বিষয়ে আমরা ইতিবাচক।’

