spot_img

২০২৯ অর্থবছরেই ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে ভারত: নির্মলা সীতারামন

অবশ্যই পরুন

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস তুলে ধরে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, আগামী ২০২৮-২৯ অর্থবছরের (এফওয়াই২৯) মধ্যেই দেশটির অর্থনৈতিক আকার ৫ ট্রিলিয়ন (পাঁচ লাখ কোটি) মার্কিন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করবে। এই লক্ষ্য অর্জনে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সুদূরপ্রসারী ও বহুমুখী প্রবৃদ্ধি কৌশল বাস্তবায়ন করছে।

গতকাল মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) রাজ্যসভায় দেওয়া এক লিখিত জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

আইএমএফ প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ (এপ্রিল ২০২৬)-এর বৈশ্বিক তথ্যসূত্রের বরাতে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বাজারমূল্যে ২০২৮-২৯ অর্থবছর নাগাদ ভারতের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আনুমানিক ৫ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।

অর্থনীতির এই ধারাবাহিক বিকাশ বজায় রাখতে সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী জানান, কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ম্যানুফ্যাকচারিং ও ক্ষুদ্র-মাঝারি (এমএসএমই) শিল্পের বিকাশ, অবকাঠামো বিস্তার এবং ডিজিটাল ইকোসিস্টেম জোরদারে নজর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আয়কর ও জিএসটি সহজীকরণের পাশাপাশি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) নীতি উদারীকরণ এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পাদন করে বৈশ্বিক বাজারে ভারতের অবস্থান শক্ত করা হচ্ছে।

ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন খাতের সামর্থ্য বাড়াতে ‘প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ’ (পিএলআই), ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও ‘পিএম গতিশক্তি’র মতো মেগা প্রকল্পগুলোর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি। সার্ভিস বা সেবা খাতের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার এবং ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া কৃষি খাতের আধুনিকায়ন ও উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর সেমিকন্ডাক্টর, ক্লিন এনার্জি ও বায়োফার্মাসিউটিক্যালের মতো ভবিষ্যৎমুখী শিল্পগুলোকে অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সীতারামন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সরকারের এসব উদ্যোগ ও কৌশলগত পরিকল্পনা ভারতের মধ্যমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ভিত্তি মজবুত করার পাশাপাশি ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ (উন্নত ভারত) গড়ার দীর্ঘমেয়াদি রূপকল্প অর্জনে মুখ্য ভূমিকা রাখবে।

রাজ্যসভায় অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ব্যাংকিং খাতে ঋণ খেলাপি আদায়ে ‘সারফায়েসি’ আইনের আওতায় ব্যাংকগুলো মোট ২ লাখ ১৫ হাজার ৭০৯টি মামলা দায়ের করেছে। এর মাধ্যমে জড়িয়ে থাকা ১ লাখ ৩ হাজার ১৮০ কোটি রুপি বকেয়ার মধ্যে ব্যাংকগুলো এখন পর্যন্ত৩২ হাজার ৪৬৬ কোটি রুপি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

সূত্র: দ্য হিন্দু

সর্বশেষ সংবাদ

জাপানের বিরুদ্ধে ‘সামরিক পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শান্তির পথ থেকে ধীরে ধীরে সরে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা চুক্তি জোরদার এবং দূরবর্তী দ্বীপগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ