spot_img

ইরানের হামলায় দিশেহারা, আরব দেশগুলোর রুদ্ধদ্বার বৈঠক

অবশ্যই পরুন

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আগ্রাসন মোকাবিলায় উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা করছে ইরান। এ কারণে দৈনিক ডজন ডজন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে হচ্ছে আরবদেশগুলোর। এতে বেশ নাজেহাল হয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)।

বৈঠকে বেশ কিছু বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের যুদ্ধ আলোচনার মাধ্যমে ও কূটনৈতিক উপায়ে শেষ করতে হবে। তবে জিসিসি কখনোই ইরানি হামলার ‘জবাব বা প্রতিশোধ’ নেয়নি।

জিসিসির মহাসচিব আল-বুদাইওয়ি বলেছেন, জিসিসিভুক্ত দেশগুলো ‘স্পষ্টভাবে’ জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না বা ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।

তেহরান এসব হামলা বন্ধ করবে—এই আশায় জিসিসি দেশগুলো কখনোই ইরানি হামলার ‘জবাব বা প্রতিশোধ’ নেয়নি।

জিসিসি দেশগুলো গত কয়েক বছর ধরে অঞ্চলের উত্তেজনা প্রশমনে কাজ করে যাচ্ছে।

গত বছরের জুনে যখন ইসরাইল ইরানকে আক্রমণ করেছিল, তখন জিসিসি দেশগুলো বৈঠক করে সেই হামলার নিন্দা জানিয়েছিল এবং কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছিল।

ইরানি হামলা বন্ধে ‘কূটনৈতিক সমাধানের’ আহ্বান জানিয়ে জিসিসি মহাসচিব বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার কারণে একটি অর্থনৈতিক প্রভাব পড়ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

জিসিসির জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ইরানের হামলা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর একটি ‘নিষ্ঠুর আগ্রাসন’।

সৌদি আরব ও কুয়েতের প্রধান তেল শোধনাগারগুলো ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি একটি আন্তর্জাতিক দায়িত্ব; আজ যা হুমকি, তা ভবিষ্যতে আরও প্রকট হবে, তাই তেলের সরবরাহ শৃঙ্খল রক্ষা করা জরুরি।

তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর মূল বার্তা হলো হামলা বন্ধের জন্য একটি ‘কূটনৈতিক সমাধান’ খুঁজে বের করা।

‘বিশ্বজুড়ে আমাদের অংশীদারদের প্রতি আমাদের প্রধান বার্তা হলো—ইরানকে একটি ঐক্যবদ্ধ আন্তর্জাতিক বার্তা দেওয়া, যাতে তারা জিসিসি দেশগুলোর ওপর তাদের হামলা অবিলম্বে এবং নিঃশর্তভাবে বন্ধ করে।’

তিনি আরও বলেন, জিসিসির লক্ষ্য ইরানকে ধ্বংস করা নয়, বরং দেশটির সঙ্গে একটি ‘সুসম্পর্ক’ গড়ে তোলা। পারস্য উপসাগরীয় পরিস্থিতির অবনতি এমন একটি সতর্কতা হবে যা এই অঞ্চলের সীমানা ছাড়িয়ে যাবে।

সূত্র: আল জাজিরা

সর্বশেষ সংবাদ

নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করলেন সৌদি যুবরাজ-জেলেনস্কি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে ইরানি ড্রোন থেকে সৌদির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ও...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ