রাজধানীর কাঁচাবাজারে পূজার ছুটির রেশ কাটেনি এখনও। ক্রেতা শূন্য বাজার ভরপুর আগাম শীতকালীন সবজিতে। তাতে প্রায় প্রতি সবজির দামই কমেছে, কিন্তু তাতে স্বস্তি ফিরেছে কি সেই প্রশ্ন রয়েই গেলো। কেননা, নাগালের মধ্যে সবজি বলতে এখনো শুধু পেপেই। শিম, গোল বেগুন, গাজর, শষার দাম এখনো একশ টাকার উপরেই। বাদবাকি সবজিও ৬০ টাকার নিচে মিলছে না।
মাছ বাজারেও নেই হাঁকডাক। বিক্রেতাদের দাবি, বেচাবিক্রি নেমেছে তিন ভাগের এক ভাগে। কিন্তু তাতেও ছাড়েনি দাম। উল্টো নিষেধাজ্ঞার কারণে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বাড়তি গুণতে হচ্ছে নদীর মাছে। পরিবহন খরচ বাড়ায় চাষের মাছও কিছুটা চড়া।
ছেড়ে কথা বলছে না পোল্ট্রির বাজারও। দাম আগের মতোই স্বল্প আয়ের মানুষদের নাগালের বাইরে। ক্রেতার অভাবে আগের তুলনায় অর্ধেক ব্রয়লার তুলেছেন বিক্রেতারা।
এদিকে, বেসরকারি গবেষণা সংস্থার মতে, উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতি ও আয় না বাড়ার কারণে স্বল্প আয়ের পরিবারের খরচের ৫৫ শতাংশই চলে যায় বাজারে।

