সুপার হিরো ভক্তদের কাছে ‘স্পাইডার-ম্যান’ সবসময় আলাদা আকর্ষণ। তাই ‘স্পাইডার-ম্যান’ এর নতুন সিনেমা আসার অপেক্ষায় থাকেন তারা। চলতি বছরের ৩১ জুলাই বিশ্বব্যাপি মুক্তি পায় ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। আর সিনেমাটি মুক্তির আগে থেকেই ভক্তদের আগ্রহের শেষ ছিল না। আর মুক্তির পর দেখা গেল ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ বক্স অফিসে দাপট দেখাচ্ছে।
ডেডলাইন থেকে জানা যায়, হলিউডের সিনেমার ক্ষেত্রে সামার বা গ্রীষ্মকালীনের আয়ের হিসেব দেখা হয়। আর সে হিসেবে দেখা যায় দারুণ করেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। চলতি বছরের গ্রীষ্মকালীন বক্স অফিস আয় পৌঁছেছে প্রায় ৪.৭৬ বিলিয়ন ডলারে, যা ২০১৩ সালের ৪.৭৫৬ বিলিয়ন ডলারের আগের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
৫ মে থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে ইউনিভার্সাল, প্রায় ১.২৩ বিলিয়ন ডলার। এর প্রায় ৪৮ শতাংশ এসেছে ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ থেকে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ডিজনি, আয় প্রায় ১.০৩ বিলিয়ন ডলার। তৃতীয় অবস্থানে থাকা সনি পার করেছে ১ বিলিয়ন ডলারের সীমা, যার বড় অংশ এসেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ থেকে।
এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সোমবার লেবার ডে বা শ্রমিক দিবস পালিত হয়। আর এতে দেখা যায় ‘স্পাইডার-ম্যান’–এর যুক্তরাষ্ট্রের মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯২৩.২৬ মিলিয়ন ডলার। চার দিনে সিনেমাটি আয় করেছে প্রায় ২৩.৫ মিলিয়ন ডলার। ফলে ২০১৫ সালের ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স’-এর ৯৩৬.৬ মিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা হতে সিনেমাটি আর প্রয়োজন মাত্র প্রায় ১৩.৩ মিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে ‘দ্য ওডিসি’ লেবার ডে সপ্তাহান্তে প্রায় ১৭.৩ মিলিয়ন ডলার আয় করে মোট দেশীয় আয় নিয়ে গেছে প্রায় ৫৮৯ মিলিয়ন ডলারে। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির আয় ইতোমধ্যে ১.৫৯ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের গ্রীষ্মকালের আয় থেকে বলা যায় যে বড় বাজেটের ফ্র্যাঞ্চাইজি সিনেমাগুলো দর্শক মাতিয়েছে। আর এখনও দারুণ দাপট দেখাচ্ছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’।

