spot_img

ইসরায়েলি দূতাবাসের কাছে খামেনির মালিকানাধীন বলে ধারণা করা দুই ফ্ল্যাট বিক্রির বিজ্ঞাপন

অবশ্যই পরুন

লন্ডনে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতাবা খামেনির মালিকানাধীন বলে ধারণা করা দুটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে।  রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমস জানিয়েছে, লন্ডনে ইসরায়েলি দূতাবাসের খুব কাছেই অবস্থিত এই দুটি ফ্ল্যাট।

কেনসিংটনের প্যালেস গ্রিন এলাকায় অবস্থিত একটি ভবনের ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায় রয়েছে অ্যাপার্টমেন্ট দুটি। একই সড়কে ইসরায়েলি দূতাবাসের অবস্থান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলো চলতি বছরের শুরুর দিকে এই সম্পত্তিগুলোর মালিকানা ও অবস্থান নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ২০১৪ ও ২০১৬ সালে আলাদা সময়ে অ্যাপার্টমেন্ট দুটি কেনা হয়। সম্পত্তিগুলোর প্রকৃত মালিকানা নিয়ে সরাসরি কোনো তথ্য প্রকাশ্যে না থাকলেও এগুলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতাবা খামেনির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে, ডেইলি মেইল-কে এক সন্ত্রাসবাদ ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ বলেছিলেন, অ্যাপার্টমেন্টগুলোর অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষায়, ‘ইরান ৫০ মিটারেরও কম দূরত্ব থেকে ইসরায়েলি দূতাবাসের পেছনের অংশ দেখার সুযোগ পাচ্ছে।’

কেন বিক্রি হচ্ছে সম্পত্তি?

দ্য সানডে টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি ব্যাংকার আলী আনসারির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর অ্যাপার্টমেন্ট দুটি বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আনসারিকে খামেনির হয়ে সম্পত্তিগুলোর মালিকানা গোপন রাখার জন্য ব্যবহৃত একজন ‘ফ্রন্টম্যান’ বা সম্মুখ ব্যক্তি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি আনসারি অ্যাপার্টমেন্ট দুটির বিপরীতে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হন। এরপর ব্রিটিশ সরকার সম্পত্তিগুলো বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

কেনসিংটন প্যালেস গার্ডেনসের কাছাকাছি ৩এ প্যালেস গ্রিন ঠিকানায় অবস্থিত অ্যাপার্টমেন্ট দুটিতে রয়েছে আলাদা কর্মচারীদের থাকার ব্যবস্থা এবং ব্যক্তিগত ছাদবাগান বা রুফ টেরেস।

কোটি কোটি পাউন্ডের সম্পত্তি

দুটি অ্যাপার্টমেন্টের মধ্যে একটি ২০১৬ সালে ১ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ডে কেনা হয়েছিল। বর্তমানে সেটি ১ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডে বিক্রির জন্য বাজারে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য আরও কয়েকশ’ কোটি টাকার সমপরিমাণ।

অন্য অ্যাপার্টমেন্টটি ২০১৪ সালে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ডে কেনা হয়েছিল। তবে দ্বিতীয় সম্পত্তিটির কোনো প্রকাশ্য বিক্রয় তালিকা নেই। ফলে এটি বর্তমানে কত দামে বিক্রি করা হচ্ছে বা সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্য কত, তা জানা যায়নি।

ইসরায়েলি দূতাবাসের এত কাছাকাছি এই সম্পত্তিগুলোর অবস্থান এবং এগুলোর সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ব্রিটেনে আগে থেকেই নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত পাচ্ছেন ৪ হাজার ৩৪১ হাজী: ধর্মমন্ত্রী

চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করা চার হাজার ৩৪১ জন হাজীকে উদ্বৃত্ত ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ