আমেরিকান জনপ্রিয় গীতিকার, সংগীতশিল্পী, অভিনেত্রী, উদ্যোক্তা ও সমাজসেবী ডলি পার্টন ৮০ বছর বয়সে মারা গেছেন। মার্কিন সংস্কৃতিতে এক অনন্য ও দীর্ঘস্থায়ী পদচিহ্ন রেখে যাওয়া এই শিল্পীর প্রায় ৬০ বছরের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে স্বামী কার্ল ডিনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। আর স্বামীর মৃত্যুর প্রায় ১৭ মাস পর মারা গেলেন ডলি পার্টন।
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ক্যানসারের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি লড়াইয়ের পর তার মৃত্যু হয় বলে তার প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। ন্যাশভিলের ভ্যান্ডারবিল্ট-ইনগ্রাম ক্যানসার সেন্টারে প্রিয়জন বেষ্টিত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
দেশ ও বিনোদন জগতের বিভিন্ন অঙ্গন থেকে ইতোমধ্যে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।
শানিয়া টোয়েন ডলি পার্টনকে তার আজীবনের ‘শিক্ষক’ ও ‘নায়ক’ হিসেবে স্মরণ করেছেন। তিনি লিখেছেন, তার ‘মেন্টর আর নেই’।
অ্যান্ড্রু লয়েড ওয়েবার পার্টনকে তার দেখা ‘সবচেয়ে অসাধারণ প্রতিভাদের একজন’ হিসেবে স্মরণ করেছেন এবং তার গান লেখার প্রতিভার প্রশংসা করেছেন।
ডনি ওসমন্ড তাকে ‘সোনার হৃদয়ের’ একজন মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যার আত্মা অসংখ্য মানুষের জীবন ছুঁয়ে গেছে।
নাইন টু ফাইভ সিনেমার সহ-অভিনেত্রী জেন ফন্ডা ও লিলি টমলিনও তাকে স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তার সম্মানে এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং গোলাপি আলোয় আলোকিত করা হয়।
মার্কিন দেশীয় সংগীতের এই কিংবদন্তিকে স্মরণ করতে শিকাগোসহ বিভিন্ন স্থানে ভক্তরা স্মরণসভায় জড়ো হয়েছেন।
সংগীতের বাইরেও ডলি পার্টনের পদচারণা বিস্তৃত। তিনি ১০ কোটিরও বেশি রেকর্ড বিক্রি করেছেন, পেয়েছেন ১১টি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড। নাইন টু ফাইভ ও স্টিল ম্যাগনোলিয়াসের মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন, প্রতিষ্ঠা করেছেন ডলিউড; শিশুদের জন্য ইমাজিনেশন লাইব্রেরি চালু করেছেন—যার মাধ্যমে কোটি কোটি বই শিশুদের কাছে পৌঁছেছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

