বিশ্বকাপ ফাইনালের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল করমর্দন করেননি—এমন দাবি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে প্রকাশিত স্থিরচিত্র ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য বলছে, বাস্তবে ট্রাম্প ও ইয়ামালের মধ্যে করমর্দন হয়েছিল।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে স্পেন। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সেই সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটির একটি অংশ দেখে অনেকেই দাবি করেন, পদক নেওয়ার সময় ট্রাম্পের সঙ্গে হাত না মিলিয়েই এগিয়ে যান ইয়ামাল।
তবে পরে প্রকাশিত বিভিন্ন স্থিরচিত্রে দেখা যায়, পদক গ্রহণের সময় ট্রাম্প ও ইয়ামালের মধ্যে করমর্দন হয়েছে। রয়টার্স কানেক্ট প্রকাশিত একটি ছবিতে তাদের করমর্দনের মুহূর্ত স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। ছবিতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকেও পাশে দেখা যায়। পদক নেওয়ার সময় ইয়ামাল মাথা নেড়ে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতাও জানান। ফলে ভাইরাল ভিডিও থেকে তৈরি হওয়া দাবি সঠিক নয় বলেই প্রতীয়মান হয়।
এদিকে, মাত্র ১৯ বছর বয়সে অভিষেক বিশ্বকাপ খেলেই শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন লামিনে ইয়ামাল। পুরো টুর্নামেন্টে একটি গোল করলেও স্পেনের আক্রমণভাগে তাঁর গতি, সৃজনশীলতা ও প্রভাব ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
ক্লাব ফুটবলেও সময়টা দারুণ কাটছে বার্সেলোনার এই উইঙ্গারের। ২০২৫-২৬ মৌসুমে ক্লাবের হয়ে লিগ শিরোপা জয়ের পর জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপও জিতেছেন তিনি। ফলে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের সম্ভাব্য দাবিদারদের তালিকায় ইয়ামালের নামও আলোচনায় উঠে এসেছে। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রিকেও এই পুরস্কারের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

