spot_img

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি ‍চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা

অবশ্যই পরুন

অবশেষে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান। উভয়পক্ষই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানান, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুক্রবার উভয় পক্ষ চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে। আর ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীও জানান, আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের পর শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আরও আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এরইমধ্যে দেশ দুইটির সমঝোতায় পৌঁছানো চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এই চুক্তির অগ্রগতিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। আর জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস কয়েকটি মধ্যস্থতাকারী দেশ, পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবকে ধন্যবাদ জানিয়ে এক্স-এ দেওয়া পোস্টে এই চুক্তিকে ‘সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি লেবাননের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন, যেখানে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এই কাঠামোগত চুক্তিকে স্বাগত জানালেও সতর্ক করে বলেছেন, চূড়ান্ত স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত উত্তেজনা বাড়াতে পারে এমন বক্তব্য, উসকানি এবং সম্ভাব্য নাশকতা থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই শান্তির পথে এগিয়ে যেতে। তবে তারা এটাও বলেছেন, ইরানকে অবশ্যই তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগগুলো সমাধান করতে হবে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এক্স-এ বলেছেন, তিনি আশা করেন এই চুক্তি হরমুজ প্রণালিতে ‘নিরাপদ ও অবাধ নৌচলাচল’ নিশ্চিত করবে এবং ইরানের পারমাণবিক ইস্যুসহ অন্যান্য বিষয় দ্রুত সমাধানের পথ তৈরি করবে।

সর্বশেষ সংবাদ

গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে

গণপরিবহন ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহনে আগামী ১ আগস্ট থেকে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ