spot_img

বিশ্বকাপ জয়ের চেয়ে বড় কোনো অর্জন নেই: দিদিয়ের দেশম

অবশ্যই পরুন

অতীত নয়, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ নিয়েই ভাবছেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী কোচ দিদিয়ের দেশম। নিজের ফুটবল দর্শন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ফেলে আসা দিন নয় বরং সামনের চ্যালেঞ্জগুলোই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

অধিনায়ক হিসেবে ১৯৯৮ সালে এবং কোচ হিসেবে ২০১৮ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছেন ফ্রান্সের দেশম। এর আগে ব্রাজিলের মারিও জাগালে এবং জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার অনন্য অর্জনের সাক্ষী হয়েছিলেন। ব্রাজিলের মারিও অবশ্য খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৫৮ এবং ১৯৬২ সালে দুইবার বিশ্বকাপ জিতেছিলেন।

ফ্রান্স এবারও দেশমের অধীনে বিশ্বকাপের মিশনে নামতে যাচ্ছে। মাঠে নামার আগে কোচ দেশম নিজের ভাবনা, দর্শন জানিয়েছেন ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, ‘‘আমি কেবল বর্তমান আর ভবিষ্যৎ নিয়েই ভাবি। আমার স্বভাবটাই এমন। সত্যি বলতে, এছাড়া অন্য কিছু আমার কাছে কোনো গুরুত্ব পায় না। সামনের দিনগুলোতে কী অপেক্ষা করছে, আমি শুধু সেটা নিয়েই ভাবছি।’’

বিশ্বকাপের শিরোপাসহ দেশমের ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ পুরস্কার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, লিগ শিরোপাও জিতেছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপ জয়ের অনুভূতিকে সবকিছুর উর্ধ্বে রাখছেন এই ফরাসি কিংবদন্তি।

তার ভাষায়, ‘‘ক্লাব পর্যায়ে চ্যাম্পিয়নস লিগসহ অনেক ট্রফি জেতার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার চেয়ে আনন্দের আর কিছুই হতে পারে না। এই গৌরব অর্জনের পর আপনার নাম আগের মতোই থাকবে, কিন্তু নামের পাশে চিরদিনের জন্য যুক্ত হয়ে যাবে দুটি শব্দ, ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’।’’

দেশম আরও বলেছেন, ‘‘১৯৯৮ এবং ২০১৮ সালে যা ঘটেছিল তা আজীবন আমার স্মৃতিতে অমলিন থাকবে, তবে অতীতকে কখনো পরিবর্তন করা যায় না। এখন আমরা সামনে কী করছি, সেটাই আসল কথা। ১৯৯৮ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে আমার দায়িত্বে পরিবর্তন এসেছিল, কিন্তু দুটি গৌরবময় মুহূর্তেই আমি দলের সাথে ছিলাম। দুটি অভিজ্ঞতাই ছিল এককথায় জাদুকরী।’’

দেশমের মতে এবারও ফেভারিট হিসেবেই বিশ্বকাপে মাঠে নামতে যাচ্ছে ফ্রান্স, ‘‘আমরা প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছি কারণ আমাদের কাছে ফল আছে। আমরা ২০১৮ সালে শিরোপা জিতেছি এবং ২০২২ সালে ফাইনাল খেলেছি। এ কারণে দর্শক সমর্থকরা আমাদের থেকে উচুঁমানের পারফরম্যান্সেরই প্রতাশ্যা কারে। আমরা সেই ১০-১২টি দেশের মধ্যে একটি যারা শিরোপার দাবিদার এবং বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো দল। তবে এই লড়াইয়ে একটি দলই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে। বাকি ১১টিই হতাশ হয়ে ফেরে।’’

গত আসরের রানার্সআপরা এবারের বিশ্বকাপের মিশন শুরু করবে সেনেগালের বিপক্ষে। আই গ্রুপে তাদের প্রথম ম্যাচ আগামী ১৭ জুন। এরপর ২৩ জুন ইরাক এবং ২৭ জুন নরওয়ের বিপক্ষে খেলবেন কিলিয়েন এমবাপ্পেরা।

সর্বশেষ সংবাদ

আইএমএফের কাছে নতুনভাবে আর্থিক সহায়তা চাইলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমকে সমর্থন দিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কাছে একটি নতুন আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আবেদন করেছে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ