spot_img

ট্রাম্প-ইলন মাস্ক চীন সফরে—‘ছদ্মবেশে’ চীনা নারী জেনারেল!

অবশ্যই পরুন

ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরকালে মার্কিন প্রতিনিধিদল এবং শীর্ষ প্রযুক্তি নির্বাহীদের ওপর নজরদারি করতে বেইজিং ছদ্মবেশী গোয়েন্দা মোতায়েন করেছিল বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জেনিফার জেং নামের একজন স্বাধীন ব্লগার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন।

তার অভিযোগ, বেইজিংয়ে আয়োজিত একটি রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা একজন নারী পরিবেশনকারী আসলে সাধারণ কোনো কর্মী নন, বরং তিনি চীনের সামরিক বাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ এবং পদকপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে জেনিফার জেং অবশ্য নতুন নন। এর আগে ২০২৩ সালেও তিনি দাবি করেছিলেন যে, কানাডায় খালিস্তানি স্বাধীনতাকামী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির হাত ছিল। জেংয়ের মতে, ভারতকে ফাঁসানো এবং পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে নয়াদিল্লির দূরত্ব তৈরি করার উদ্দেশ্যেই চীন ওই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল।

নিরাপত্তা ও গুপ্তচরবৃত্তির এই নতুন অভিযোগে জেং রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের দুই নারী পরিবেশনকারীর ছবি শেয়ার করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই একই নারীদের সামরিক পোশাকে থাকা ছবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। পরবর্তী এক পোস্টে তিনি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ইলন মাস্কের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা পরিবেশনকারী নারী মূলত মেজর চেং চেং। এই কর্মকর্তা চীনের একটি বিশেষ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার এবং তিনি দেশটির সামরিক আনুষ্ঠানিকতার জন্য নির্দেশিকা বা অপারেশনাল ম্যানুয়াল তৈরিতে সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন। অপর এক পোস্টে জেং আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, লাল পোশাকের আড়ালে মেজর চেং চেংয়ের কাছে কোনো গোপন অস্ত্রও থাকতে পারে।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি এবং চীন সরকারের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধরনের কৌশল চীনের ঐতিহাসিক গুপ্তচরবৃত্তির ধরনের সঙ্গে বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ। অতীতেও ক্যালিফোর্নিয়ায় মার্কিন রাজনীতিবিদদের টার্গেট করে ‘ফ্যাং ফ্যাং’ নামের একটি বহুল আলোচিত ‘হানিপট’ বা নারী গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনার অভিযোগ উঠেছিল বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছে যে, চীনের রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট গোয়েন্দারা সাধারণ ছদ্মবেশে বিভিন্ন বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং কূটনৈতিক মহলে অনুপ্রবেশ করছে। ফলে পশ্চিমা প্রযুক্তি প্রধানরা যখনই চীনের বাজারে সরাসরি প্রবেশের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছেন, তখনই সমালোচকরা সতর্ক করছেন যে বেইজিংয়ের এই আতিথেয়তার আড়ালে একটি বড় অদৃশ্য মূল্য চোকাতে হতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি

সর্বশেষ সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যরা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন) নেতাকর্মীদের নির্যাতনে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ