যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের প্রধান জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন, যুদ্ধবিরতি শেষে ইরানে আবারও হামলা চালাতে মার্কিন বাহিনী ‘প্রস্তুত ও অবস্থানগতভাবে সক্ষম’ রয়েছে।
তিনি জানান, ইরানের বন্দরগুলোতে আরোপিত অবরোধ কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সন্দেহভাজন জাহাজগুলোর চলাচল নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, আজ সকাল পর্যন্ত ৩৪টি জাহাজ অবরোধের মুখে পড়ে ফিরে গেছে। তবে একটি জাহাজ, ‘তুস্কা’ নির্দেশনা অমান্য করায় সেটিকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, ছয় ঘণ্টা ধরে সতর্কবার্তা দেওয়ার পরও জাহাজটি না থামায় যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী প্রথমে সতর্কতামূলক গুলি ছুঁড়ে।
পরবর্তীতে মার্কিন বিশেষ বাহিনী জাহাজটি দখলে নেয় এবং বর্তমানে জাহাজটি এবং ক্রু’রা যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে নিরাপদ রয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে, রোববার (১৯ এপ্রিল) এক ব্রিফিংয়ে কেইন বলেছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরান-সংশ্লিষ্ট তেলের ট্যাঙ্কার ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে তল্লাশি চালানোর এবং সেগুলো জব্দের প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এর মাধ্যমে তারা মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও তাদের নৌ-অবরোধ ও অভিযানকে বিস্তৃত করছে।
এই অভিযানটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই নতুন পর্যায়ের অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘ইকোনমিক ফিউরি’।
ট্রাম্প প্রশাসনের এই বর্ধিত অর্থনৈতিক চাপের মূল লক্ষ্য হলো তেহরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বড় ধরনের ছাড় দিতে বাধ্য করা।
জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন গত বৃহস্পতিবার বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে যে কোনো ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ বা ইরানকে বস্তুগত সহায়তা প্রদানের চেষ্টাকারী যে কোনো জাহাজকে ধাওয়া করবে। এর মধ্যে ইরানি তেল বহনকারী ডার্ক ফ্লিট (গোপন নৌবহর) অন্তর্ভুক্ত।

