এল ক্লাসিকোয় হারের ধাক্কা কাটিয়ে দুর্দান্তভাবে জয়ে ফিরেছে বার্সেলোনা। শনিবার (৩১ অক্টোবর) আলাভেসকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে আবারও স্প্যানিশ লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করেছে কাতালান ক্লাবটি। জোড়া গোল করেছেন রাফিনিয়া ও লামিন ইয়ামাল। বাকি দুটি গোল ফেরমিন লোপেজ ও অ্যান্থনি গর্ডনের।
গত সপ্তাহে ক্যাম্প ন্যুতে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে বার্সেলোনার টানা নয় ম্যাচের জয়ের ধারায় ছেদ পড়ে। ওই ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে জয় পায় রিয়াল। তবে আলাভেসের বিপক্ষে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছে হানসি ফ্লিকের দল।
শনিবার দিনের শুরুতে লেভান্তেকে ২-০ গোলে হারিয়ে সাময়িকভাবে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছিল আতলেতিকো মাদ্রিদ। কিন্তু আলাভেসের বিপক্ষে জয়ের পর তাদের ছাড়িয়ে গেছে বার্সেলোনা।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই গোলের খাতা খোলে স্বাগতিকরা। ফেরমিন লোপেজের গতিময় ক্রস থেকে সহজ ট্যাপে বল জালে পাঠান রাফিনিয়া। ২৩ মিনিটে নিজেই গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লোপেজ। আলাভেস গোলরক্ষক আন্তোনিও সিভেরাকে পরাস্ত করে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।
এরপর আবারও রাফিনিয়া ও লোপেজের দারুণ বোঝাপড়ায় গোল পায় বার্সেলোনা। ৪১ মিনিটে লোপেজের সহায়তায় নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রাফিনিয়া। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দুর্দান্ত দলীয় আক্রমণের শেষটা করেন লামিন ইয়ামাল। তার নিচু ভলিতে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় বার্সেলোনা।
চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর পুরস্কারে বিশ্বের তৃতীয় সেরা পুরুষ ফুটবলার নির্বাচিত হওয়া ইয়ামাল দ্বিতীয়ার্ধেও নিজের ঝলক দেখান। ৬৪ মিনিটে গোলরক্ষক সিভেরার মাথার ওপর দিয়ে চিপ শটে বল জালে পাঠিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি।
এর ১৭ মিনিট পর বদলি হিসেবে মাঠে নামা অ্যান্থনি গর্ডনও প্রায় একই কায়দায় গোল করেন। তার দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দাঁড়ায় ৬-০। ম্যাচের শেষ দিকে বার্সেলোনার রদ্রির ভুল ব্যাক পাস থেকে বল পেয়ে আলাভেসের হয়ে সান্ত্বনাসূচক গোল করেন মারিয়ানো দিয়াজ। গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান তিনি।
এই জয়ে লা লিগায় ৩০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। আতলেতিকো মাদ্রিদের চেয়ে দুই পয়েন্টে এগিয়ে তারা। রোববার রেসিং সান্তান্দারের বিপক্ষে খেলবে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচটির আগে বার্সেলোনার চেয়ে চার পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে তারা।
ব্যক্তিগত গোলের হিসাবেও এগিয়ে রাফিনিয়া। চলতি লিগে তার গোলসংখ্যা ১৫, যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা এমবাপ্পের চেয়ে চারটি বেশি। ১০ গোল নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন লামিন ইয়ামাল।

