spot_img

এক বছরে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৬.৩৪ শতাংশ

অবশ্যই পরুন

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ১ হাজার ২৩১ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, শুধু সেপ্টেম্বর মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৯৩ কোটি ৭২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। গত বছরের সেপ্টেম্বরে আয় হয়েছিল ৩৬২ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। সে হিসাবে এক মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক। প্রথম তিন মাসে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৫৭ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের ৯৯৭ কোটি ৪ লাখ ২০ হাজার ডলারের তুলনায় ৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।

সেপ্টেম্বরে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩০৮ কোটি ২৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার। গত বছরের একই মাসে এ আয় ছিল ২৮৩ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার। ফলে এ খাতে সেপ্টেম্বরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

তৈরি পোশাকের মধ্যে প্রথম প্রান্তিকে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৫৯৬ কোটি ৩৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে ওভেন পোশাক থেকে আয় হয়েছে ৪৬১ কোটি ৪৮ লাখ ডলার, যা বেড়েছে ৫ দশমিক ১১ শতাংশ।

তৈরি পোশাকের বাইরে কয়েকটি খাতেও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। প্রথম তিন মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩১ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এ ছাড়া হালকা প্রকৌশল পণ্যে ১৬ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং গৃহসজ্জার বস্ত্রপণ্যে ১১ দশমিক ৯৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

ওষুধ রপ্তানিতেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। প্রথম প্রান্তিকে এ খাতের রপ্তানি বেড়েছে ৪০ দশমিক ৩৯ শতাংশ। শুধু সেপ্টেম্বর মাসে ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ৬৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

তবে কৃষিপণ্য এবং হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ রপ্তানিতে প্রথম প্রান্তিকে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

রপ্তানি বাজারের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে ২৫৯ কোটি ১৬ লাখ ৪০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ২৩২ কোটি ৭৭ লাখ ৭০ হাজার ডলারের পণ্য। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়েছে ১১ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার যুক্তরাজ্য। প্রথম তিন মাসে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ১৩৭ কোটি ২ লাখ ডলারের পণ্য। তৃতীয় অবস্থানে থাকা জার্মানিতে রপ্তানি হয়েছে ১২১ কোটি ৮৯ লাখ ৯০ হাজার ডলারের পণ্য।

উদীয়মান বাজারগুলোর মধ্যে তুরস্কে রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। প্রথম প্রান্তিকে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ২১ কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার ডলারের পণ্য, যা গত বছরের একই সময়ের ১০ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার ডলারের তুলনায় ১০০ দশমিক ১১ শতাংশ বেশি।

ইপিবি জানিয়েছে, প্রথম প্রান্তিকের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দেশের রপ্তানি খাতের সক্ষমতা ধরে রাখার বিষয়টি তুলে ধরেছে। এই প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা, নতুন বাজারে প্রবেশ, পণ্যের মানোন্নয়ন এবং বাণিজ্য সহজীকরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

সর্বশেষ সংবাদ

বাংলাদেশকে ইনভেস্টমেন্ট হাব হিসেবে গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্ম ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন (বিওবিসি) ২০২৬’-এর উদ্বোধনী আয়োজনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ