ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। নির্ধারিত সময় গোলশূন্য হওয়ায় অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচ। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেস গোল করলে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লা রোজারা।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক–নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচজুড়ে বলের দখল, পাসিং ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য দেখায় স্পেন। তবে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন।
শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে স্পেনের ধারাবাহিক আক্রমণের ফল আসে। ম্যাচের ১০৫তম মিনিটে জয়ের একমাত্র গোলটি করে স্পেনকে এগিয়ে দেন বদলি হিসেবে নামা ফরোয়ার্ড ইনিয়াকি উইলিয়ামস। এরপর বাকি সময়ে আর্জেন্টিনা সমতায় ফেরার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।
ম্যাচের শেষদিকে আর্জেন্টিনা ১০ জনের দলে পরিণত হলে তাদের জন্য ম্যাচে ফেরা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ বাঁশি বাজতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন স্পেনের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকরা।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের করে নিল স্পেন। এটি তাদের ইতিহাসের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা। অন্যদিকে, টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে রানার্সআপ হয় আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপজয়ী স্পেন পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল, দারুণ দলীয় সমন্বয় এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। ফাইনালেও সেই ধারাবাহিকতার প্রতিফলন ঘটিয়ে ফুটবল বিশ্বের নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখাল স্পেন।

