spot_img

জর্ডানের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

অবশ্যই পরুন

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জর্ডানে অবস্থিত একটি বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন বাহিনী ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ইরানের পক্ষ থেকে এ হামলাকে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলার জবাব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা ইরান থেকে ছোড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ইরানের দাবি করা হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে ঘটনাটির প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মানবহীন ‘কামিকাজে ড্রোন বোট’ ব্যবহার করে ইরানের নৌঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত রোববার হরমুজ প্রণালির কাছে বন্দর আব্বাস নৌঘাঁটির সাবমেরিন ও যুদ্ধজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে তিনটি ড্রোন বোট দিয়ে হামলা চালানো হয়।

এটি যুদ্ধক্ষেত্রে মার্কিন বাহিনীর প্রথম সমুদ্র ড্রোন ব্যবহার। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হামলায় ইরানের নৌ-সক্ষমতা দুর্বল হয়েছে।

সেন্টকম প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ড্রোন বোট বন্দর আব্বাস নৌঘাঁটির জেটির দিকে এগিয়ে গিয়ে আঘাত হানার সঙ্গে সঙ্গে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। মার্কিন বাহিনী অভিযানটিকে সফল বলে দাবি করেছে।

মূলত এই হামলা ইউক্রেনের ব্যবহৃত কামিকাজে সামুদ্রিক ড্রোন কৌশলের সঙ্গে মিল পাওয়া যায়। ইউক্রেন কৃষ্ণসাগরে রুশ যুদ্ধজাহাজে এ ধরনের ড্রোন ব্যবহার করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিল। এর পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই প্রযুক্তির উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ায়।

সূত্র: রয়টার্স

সর্বশেষ সংবাদ

আইআরজিসিকে হুমকি হিসেবে দেখা যুক্তরাজ্যের ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ সিদ্ধান্ত: ইরান

ইরান মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বলেছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে যুক্তরাজ্যের ঘোষণার সিদ্ধান্ত ‘অযৌক্তিক’ এবং ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’। দেশটির...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ