spot_img

‘যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের সমাপ্তি নির্ধারণ করবে ইরান’

অবশ্যই পরুন

ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসী যুদ্ধের সমাপ্তি কখন হবে, তা নির্ধারণ করবে তেহরানই।

সোমবার (৩০ মার্চ) এক বিবৃতিতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকিকে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বারবার জানিয়েছে যে, তারা যুদ্ধ শুরু করবে না, তবে যেকোনো সশস্ত্র সংঘাতের শেষ কীভাবে হবে, তা তারা নিজেরাই নির্ধারণ করবে।

জোলফাকারি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের নৃশংসতা, যুদ্ধবাজ মনোভাব এবং ভুল নীতির ফলে শুধু গণহত্যা ও আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক অস্থিরতাই সৃষ্টি হয়েছে; পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষের প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ট্রাম্পের স্বার্থপরতা, স্বৈরাচারী মনোভাব এবং ভুল হিসাব—যা তার বিভ্রম, অহংকার এবং অস্থির চরিত্র থেকে উদ্ভূত—শুধু আমেরিকানদের নয়, বরং বিশ্বজুড়ে মানুষকে উদ্বিগ্ন করেছে।

জোলফাকারি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে লাখো মানুষের বিক্ষোভ একটি অন্ধকার ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দেয়। তিনি দাবি করেন, এ পরিস্থিতিতে ট্রাম্প—যিনি এপস্টেইন ফাইলস কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত—ইসরায়েলের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করছেন, যদিও তা ব্যর্থ হবে।

তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প ও শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বিপরীতে সাধারণ মার্কিন জনগণ যুদ্ধের পরিণতি বুঝতে পেরেছে এবং অনিশ্চিত ও বিপজ্জনক ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের আশঙ্কা আরও বাস্তবসম্মত। এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “যদিও ট্রাম্প অহংকারবশত এবং ভুলভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন শুরু করেছেন, তথাকথিত শিশু-হত্যাকারী জায়নিস্ট শাসনের সঙ্গে মিলিত হয়ে, তিনি ভালোভাবেই জানেন যে শেষ পর্যন্ত তাকে সাহসী ও অভিজ্ঞ ইরানি জাতি এবং তাদের সশস্ত্র বাহিনীর মুখোমুখি হতে হবে। এ কারণেই তিনি যুদ্ধ শেষ করতে বিশ্বের অন্যান্য নেতাদের দ্বারস্থ হয়েছেন।”

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের উসকানিবিহীন হামলা চালায়। এতে ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেইসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যদিও সে সময় ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তেহরান-ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছিল।

এর জবাবে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পশ্চিম এশিয়াজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তু এবং অধিকৃত অঞ্চলে ইসরায়েলি অবস্থানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার একাধিক পাল্টা অভিযান পরিচালনা করেছে।

সূত্র: প্রেসি টিভি

সর্বশেষ সংবাদ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

এ অর্থবছরেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ