আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের বিষয়ে ঢাকার বিদেশি বন্ধুদের জন্যে রোববার (২৫ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন নিজেদের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এরপরে প্রশ্নোত্তর পর্বে ছয় বিদেশি কূটনীতিক প্রশ্ন করেন।
সূত্রে জানা যায়, ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার জানতে চান নির্বাচনের সময় নিরাপত্তা বা আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে সেটা কীভাবে সামাল দেয়া হবে? তার দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল ইসি নির্বাচনে কত শতাংশ ভোটারের উপস্থিতি আশা করছে?
আইন–শৃঙ্খলা নিয়ে জানতে চেয়েছিলেন ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। তবে তার প্রশ্নটি ছিল সারা দেশে কয়েক লাখ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। আইন–শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রে সংখ্যার বিষয়টি কীভাবে ঠিক হবে। আর মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনের সময় প্রতিটি ইউনিটির নেতৃত্ব কীভাবে পরিচালিত হবে। আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল, গণভোট আর সংসদ নির্বাচনের মধ্যে ভোটারের দুইটি ব্যালটের পরিবর্তে একটি ব্যালট ব্যবহারের সুযোগ আছে কি না?
কানাডার রাষ্ট্রদূত অজিত সিংয়ের প্রশ্ন ছিল নির্বাচনের পর কতদিন আইন–শৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে মোতায়েন অবস্থায় থাকবেন। নিরাপত্তাজনিত কোনও পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ভোট কেন্দ্র থেকে নারী ও শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ভোটারদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে ইসির পরিকল্পনা কি?
নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হ্যাকন অ্যারাল্ড গুলব্র্যান্ডসন জানতে চান, গণভোটের ফল কীভাবে নির্ধারিত হবে? সেটা কি সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে না কি নির্দিষ্ট কোন হারে? আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা জানতে, ফল কীভাবে প্রকাশ পাবে।
আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলউহাব সাইদানি নারী প্রার্থীদের সংখ্যা কম কিনা সেই প্রশ্নটি তুলেছেন। যেহেতু বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট হচ্ছে এ নিয়ে ইসির ভাবনা কেমন সেটিও তিনি জানতে চান।
বৈঠকের পর গণমাধ্যমকে জাতিসংঘের উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা প্রধান জানান, সরকারের নির্বাচনি উদ্যোগে তারা সন্তুষ্ট।

