যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন দুই মুসলিম নারী রাজনীতিক ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিব। ডেমোক্র্যাট দলের এই দুই সদস্য নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় জয় ধরে রেখেছেন। ইসরায়েলের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত তারা দুজনই ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও গাজা পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয় পেয়েছেন ইলহান ওমর। তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী জন ন্যাগেলকে হারিয়ে পঞ্চমবারের মতো প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে অভিবাসনসংক্রান্ত নথি নিয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা ওমরের বাসায় তল্লাশি চালান। তবে এ ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি বলে অভিযোগ করেন তিনি। ট্রাম্প প্রশাসন তাকে রাজনৈতিকভাবে লক্ষ্যবস্তু করছে বলেও দাবি করেন ওমর।
অন্যদিকে, মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ১২তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয় পেয়েছেন রাশিদা তালিব। রিপাবলিকান প্রার্থী জেমস ডি হুপারকে পরাজিত করে পঞ্চমবারের মতো কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত রাশিদা তালিব যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নারী। দেশটির রাজনীতিতে ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে সরব ভূমিকার জন্য পরিচিত তিনি।
ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিব দুজনই ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার বিরোধিতা করে আসছেন। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন তারা।
এদিকে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের সব ৪৩৫টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ২১৮টি আসন। নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। সূত্র: ফক্স নিউজ।

