ইরাকে থাকা নিজেদের শেষ ঘাঁটিগুলো থেকে চলে গেছে মার্কিন সেনারা। এর ফলে দেশটিতে নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে এবং সুযোগ পেয়ে আবারও সংগঠিত হতে পারে ইসলামিক স্টেট (আইএস)।
বুধবার ( ৩০ সেপ্টেম্বর) রয়র্টাসের এক প্রতিবেদনে জানা যায় এ তথ্য।
তেহরান ও তাদের মিত্ররা এই প্রত্যাহারকে বিজয় হিসেবে দেখছে। ২০২৪ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে চুক্তি হয়েছিল। তবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে। ইরাকে বিভিন্ন সমর্থিত গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইরান এখনও প্রভাব বিস্তার করছে বলে দাবি করেছে রয়টার্স।
ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর হাতে স্বৈরশাসক সাদ্দাম হোসেনের পতনের ২৩ বছর পর। সাদ্দামের পতনের পর দেশটিতে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা শুরু হয়, যার পরিণতিতে ইসলামিক স্টেটের উত্থান ঘটে।
ইরাকিদের মধ্যে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি সামগ্রিকভাবে জনপ্রিয় হলেও কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশিক্ষণ ও অর্থায়ন পাওয়া ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী এখনও দেশকে সুরক্ষা দেওয়ার মতো সক্ষম হয়ে ওঠেনি। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে ইরাকে ৪ হাজার ৫শ’ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীকে পরামর্শ দেওয়া বিশ্লেষক জাসিম আল-বাহাদলি বলেন, ‘গত দুই দশকের শিক্ষা হলো, নিরাপত্তা শূন্যতা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।’

