তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির উদ্দেশ্য সম্মিলিত প্রতিরোধ এবং এর কোনো আঞ্চলিক আকাঙ্ক্ষা নেই বলে জানিয়েছে পাকিস্থান সেনাবাহিনী। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সৌদি সম্প্রচার মাধ্যম আল আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাক সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, মক্কা চুক্তির মাধ্যমে তিন দেশের যৌথ প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে সৌদি আরব ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ তুরস্কের সঙ্গে পাকিস্তানের কয়েক দশক পুরোনো সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে। এই পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে পরিপূরক। এটি এই দেশগুলোর অন্য কোনো সম্পর্কের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে না।
গত মাসে মক্কায় স্বাক্ষরিত চুক্তিটি মূলত একটি প্রতিরক্ষামূলক সহযোগিতা, নাকি একটি বৃহত্তর কৌশলগত জোটের সূচনা—এমন প্রশ্নের জবাবে আহমেদ শরীফ চৌধুরী জোর দিয়ে বলেন, চুক্তিটি প্রতিরক্ষামূলক যা এর নামেই বোঝা যায়। চুক্তি অনুযায়ী, একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর আক্রমণকে সকল রাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।
এদিকে, ৩১ শে আগস্ট ইস্তাম্বুলে মক্কা জোটটির উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে পাকিস্তান প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য জোটটির সচিবালয়ের প্রধানের দায়িত্ব পালন করবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

