spot_img

‘নিন্দা জানানোর সময় শেষ, ইসরায়েলকে ফিলিস্তিন ভূমির দখল ছাড়তে হবে’

অবশ্যই পরুন

ইসরায়েলকে অবৈধভাবে ফিলিস্তিনি ভূমি দখল বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের দূত রিয়াদ মানসুর। তিনি বলেছেন, ‘ভূমি দখল যুদ্ধ ডেকে আনে’ যা সব শান্তি প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করে দেয় এবং এ বিষয়ে দরকষাকষি করা যায় না।

ইসরায়েল সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, তারা গাজা উপত্যকায় দখলদারিত্ব শেষ করার পরিবর্তে এটিকে আরও স্থায়ী করবে; সেখানে তারা অবৈধভাবে গাজার ৭০ শতাংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম তীরের ৬০ শতাংশেরও বেশি এবং পুরো পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নিয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মানসুর বলেন, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপগুলো শুধু অবৈধই নয় বরং প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড) ট্রাম্পের পরিকল্পনা এবং প্রস্তাব ২৮০৩-এরও পরিপন্থী, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে কোনো দখলদারিত্ব এবং কোনো ভূমি দখল থাকবে না। এসময় তিনি আরও যোগ করেন, এগুলো ‘ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুত পথকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।’

মানসুর সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েলের ই-১ এলাকায় ঔপনিবেশিক পরিকল্পনা, যা কার্যত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের জন্য এবং এই অঞ্চলে শান্তির ন্যুনতম সম্ভাবনার জন্য মৃত্যুদণ্ড।

তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল পবিত্র স্থানের ভঙ্গ করে বারবার হামলার মাধ্যমে ঐতিহাসিক স্থিতাবস্থা ভেঙে দিচ্ছে এবং ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠী ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের ধারাবাহিক বাড়িঘর ধ্বংস, হামলা এবং পূর্বপুরুষের ভূমি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদের মাধ্যমে সন্ত্রস্ত হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি রাজস্ব কর আটকে রাখার বিষয়ে মানসুর বলেন, এই পদক্ষেপ শুধু অবৈধই নয় এবং আমাদের সম্পদ (আর্থিক ও প্রাকৃতিক) চুরি এবং এটি ‘ফিলিস্তিনি সরকার পতনের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে, ‘যা রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিকভাবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক বিরোধিতা সত্ত্বেও ‘ভূমি দখল আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুত এবং আরও প্রকাশ্যে এগিয়ে চলছে,’ এবং ইসরায়েল ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অমান্য করছে এবং আন্তর্জাতিক ঘোষণাগুলোকে অস্বীকার করছে।’

‘ভূমি দখল একটি যুদ্ধের কাজ। এটি সব শান্তি প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করে; এটি নিয়ে দরকষাকষি করা যায় না। এটি বন্ধ করতেই হবে, মানসুর বলেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কেবল নিন্দা না জানিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘নিন্দা ও প্রত্যাখ্যানের সময় শেষ।

তিনি যোগ করেন, এখন সময় এসেছে একে চূড়ান্তভাবে বন্ধ করার এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ বেছে নেওয়ার, পাশাপাশি এ অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করার—এর মধ্যে ফিলিস্তিন, লেবানন এবং সিরিয়াও রয়েছে—যাতে আমাদের অঞ্চলে যৌথ নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।

সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর

 

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে যানবাহনের ধোঁয়ায় প্রতি ঘণ্টায় প্রাণ হারাচ্ছেন ৫ মার্কিনি

যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক পরিবহনের বিষাক্ত ধোঁয়ায় প্রতি ঘণ্টায় পাঁচজনের মৃত্যু হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণার বরাত দিয়ে সোমবার (২৯ জুন)...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ