spot_img

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস পেলেন আরিফুল-বাবর-গউছ

অবশ্যই পরুন

সাবেক মন্ত্রী ও প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস পেয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও জাতীয় সংসদের বর্তমান হুইপ জি কে গউছ। মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং বাকি ৯ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সুরকার এ রায় দেন। ইতোমধ্যে মামলার দুই আসামি জেএমবি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান মুন্সী ও বিপুলের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

খালাসপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন- জেএমবি নেতা মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ ওরফে অভি, মুফতি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ ওরফে খাজা, মো. আব্দুল মাজেদ ভাট ওরফে ইউসুফ ভাট, মো. নাজিউর রহমান নাজু ওরফে নাজমুল হক নাজু ওরফে নাজিমুল হক।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত একমাত্র আসামি সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমুর বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর পশ্চিমপাড়া লম্বাহাটি গ্রামে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল হোসেন বলেন, প্রায় ২২ বছর পর আদালত এই মামলার রায় দিয়েছে। মামলায় ১২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬৭ জন সাক্ষ্য দেন।

তিনি বলেন, এই মামলায় ১২ আসামির মধ্যে একমাত্র আসামি সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমুকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন আদালতের বিচারক। এর আগে অন্য মামলায় মুফতি হান্নান ও বিপুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। এছাড়া পলাতক আসামি মাওলানা তাজউদ্দিনসহ ৯ জনকে বেকসুর খালাস দেন

আদালত সূত্রে জানা যায়, এ বছরের এপ্রিল মাসে আলোচিত এই মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। একই সঙ্গে গত ৭ এপ্রিল একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য জানতে চান বিচারক।

শুনানিতে অংশ নিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে শ্রম, কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও সংসদের সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

এর আগে সকালে আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, জি কে গউছসহ আসামিরা আদালতে হাজির হন।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। হামলায় যুবলীগের এক নেতা নিহত হন এবং অন্তত ২৯ জন আহত হন। ওই ঘটনায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছিল বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়।

মামলার তদন্ত শেষে বিভিন্ন সময়ে বিএনপির সাবেক নেতা ও বর্তমান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। পরে আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

সর্বশেষ সংবাদ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণা, ফিরলেন লিটন

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৃহস্পতিবার ঘোষিত দলে বড়...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ