spot_img

‘মেসি’ বলেই কি এত আলোচনা?: প্রশ্ন তুললেন অঁরি

অবশ্যই পরুন

ক্যান্সাস সিটির মাঠে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচটি শেষে মাঠের ফুটবলের চেয়েও বড় আলোচনা এখন লিওনেল মেসির এক ফাউল এবং তা নিয়ে ভিএআর চেক। বুধবার (১৭ জুন) ম্যাচের এক পর্যায়ে মেসির একটি চ্যালেঞ্জকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে একাংশ দাবি তুলছেন এটি সরাসরি লাল কার্ড পাওয়ার মতো অপরাধ ছিল।

তবে এই উত্তপ্ত বিতর্কের মাঝেই নিজের সাবেক বার্সেলোনা সতীর্থের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন ফরাসি কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি। তিনি বলেন, মাঠের এমন পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়ের ‘অভিপ্রায়’ বা ইনটেনশন বোঝাটা সবচেয়ে জরুরি, যা মেসিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর আগে অনেকেই ভুলে যাচ্ছেন।

মেসির ওই ফাউলের ঘটনাটি কেন্দ্র কর থিয়েরি বলেন, ‘আমি অনেককেই বলতে শুনছি যে, ওটা লাল কার্ড হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু নিখুঁত বিশ্লেষণের জন্য ‘প্লেয়ারের ইনটেনশন’ বোঝাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি রিপ্লেটি ভালো করে লক্ষ্য করেন, তবে পরিষ্কারভাবে দেখতে পাবেন যে লিওনেল মেসির পুরো নজর ছিল বলের দিকে। এলএম১০ ওই মুহূর্তে স্রেফ একটা ফুটবলীয় অ্যাকশন নিতে চেয়েছিল, কাউকে আঘাত করার কোনো উদ্দেশ্যই তার ছিল না।’

ম্যাচে প্রতিপক্ষের সাথে মেসির শারীরিক সংঘর্ষের বিষয়টি স্বীকার করে অঁরি আরও যোগ করেন, সেখানে স্পর্শ ছিল, দেখতেও হয়তো একটু দৃষ্টিকটু লেগেছে। কিন্তু মাঠে প্রতিটি ধাক্কাধাক্কি বা সংঘর্ষই লাল কার্ড হতে পারে না।

ভিএআর প্রযুক্তির কার্যকারিতা উল্লেখ করে এই ফরাসি বিশ্বকাপজয়ী তারকা জানান, এই ধরনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো পরীক্ষা করার জন্যই তো প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ভিএআর থাকার মূল কারণই হলো সবকিছু ধীরগতিতে দেখা এবং সেখানে কোনো ক্ষতিকর অভিপ্রায় বা মারাত্মক ফাউল ছিল কি না তা নিশ্চিত করা। অফিশিয়ালরা সেটি নিখুঁতভাবেই যাচাই করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত এটিকে একটি হলুদ কার্ড দেওয়ার মতো অপরাধও মনে করেননি।

ফুটবলারদের প্রতি হওয়া এই দ্বিমুখী আচরণের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, মানুষ মূলত প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে কারণ নামটা এখানে মেসি। এই জায়গায় যদি অন্য কোনো সাধারণ খেলোয়াড় থাকতো, তাহলে আমার মনে হয় না, এত বিতর্ক বা হইচই হতো। আমার চোখে এটি ছিল একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা, দুর্ভাগ্যজনক এক মুহূর্ত এবং এর চেয়ে বেশি কিছুই নয়। রিয়াল টাইমে, অনেক সময় মাঠের ঘটনা যতটা মারাত্মক মনে হয়, বাস্তবে তা অতটা থাকে না।

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে গতি ফেরাতে চায় সরকার

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ফের গতি আনতে চায় সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ৪ কোটি পরিবার থেকে অন্তত একজন সদস্যকে স্কিমে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ