spot_img

লাশ লুকাতে সহযোগিতা করেন নাতি, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

অবশ্যই পরুন

নাটোরের সিংড়ায় বাড়ির সিমানায় টয়লেটের একটি গর্ত করা নিয়ে দুই ছেলের মধ্যে কথা কাটাকাটিতে বড় ছেলের পক্ষ নেয়ায় মারিয়া বেগম ওরফে শরিফা (৭৫) অর্থাৎ মাকে গলা টিপে হত্যা করেন আপন মেঝ ছেলে জনাব আলী (৫৫)। সেই টয়লেটের গর্তেই আবার মায়ের লাশ ফেলে স্লাব দিয়ে ঢেকে রাখা হয়।

এর ১০ দিন পরে (৪ জুন) লাশের দুর্গন্ধ ছড়ালে সেই লাশ বস্তাবন্দি করে গভীর রাতে বাড়ির পাশের কচুরিপানার ডোবায় ফেলে দেন ছেলে জনাব আলী। আর মায়ের লাশ ডোবায় ফেলতে সহযোগিতা করেন জনাব আলীর ছেলে আল আমিন (২৫)। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় লাশ লুকাতে সহযোগিতা করায় ওই বৃদ্ধের ছেলে ও নাতি অর্থাৎ বাবা ও ছেলে আসামি। লাশ উদ্ধারের একদিনের মধ্যেই পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এই হত্যাকাণ্ডের সকল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সিংড়া থানা চত্বরে পুলিশের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নাটোর জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ শরিফুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সিংড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর মোহাম্মদ আলী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মে শনিবার উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের আগপাড়া শেরকোল গ্রামে বাড়ির সিমানায় টয়লেটের একটি গর্ত করা নিয়ে বড় ভাই শহিদুল ইসলামের সাথে মেঝ ভাই জনাব আলীর কথা কাটাকাটি হয়। যৌক্তিক কারণে বড় ছেলে শহিদুল ইসলামের পক্ষ নেন মা। আর এই ক্ষোভেই ২৫ মে রাত ৯ টায় তার মাকে গলা টিপে হত্যা করে লাশ লুকিয়ে ফেলেন মেঝ ছেলে জনাব আলী। পরে নিখোঁজের ১৫ দিন পর বাড়ির পাশের ডোবা থেকে ৯ জুন বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহত বৃদ্ধের চার ছেলে ও স্বজনদের থানায় এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে মৃত্যুর আসল রহস্য বের হয়ে আসে।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের মেয়ে মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজন গ্রেপ্তার রয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

রাজধানীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৬

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর, মোহাম্মদপুর ও তুরাগ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ