লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের বিষয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, তেহরানের ধৈর্যেরও একটি সীমা রয়েছে।
সোমবার (২ জুন) এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এমন সময় তিনি এ বক্তব্য দেন, যখন ইসরায়েল লেবাননের ওপর হামলা জোরদার করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির কাছে তাদের কথিত নৌ-অবরোধ অব্যাহত রেখেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অবৈধ আগ্রাসী যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ওই প্রণালি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
রেজায়ি বলেন, “হরমুজ প্রণালি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমরা নৌ-অবরোধ চলতে দেবো না এবং লেবাননে উত্তেজনা বৃদ্ধিও মেনে নেবো না।”
তিনি আরও বলেন, “ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীর ধৈর্যেরও সীমা আছে।” রেজায়ি অতীতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর প্রধান কমান্ডার ছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘অন্যায্য আগ্রাসন’ শুরু হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি। এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত সীমিত করে।
যুদ্ধের চল্লিশতম দিন, অর্থাৎ ৮ এপ্রিল, ইসলামাবাদের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনায় কোনো সমঝোতা হয়নি।
ইরান জোর দিয়ে বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সব ফ্রন্টে, বিশেষ করে লেবাননে, শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
তেল আবিব ও বৈরুত ১৭ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়। তবে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দখলদার ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থা সেই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে একাধিক প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: প্রেস টিভি

