চলতি বছর রোহিঙ্গাদের সার্বিক চাহিদা ধরা হয়েছে ৭১০.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। টেকনাফের স্থানীয় বাসিন্দা, ভাসানচর এবং টেকনাফের রোহিঙ্গাসহ মোট ১৫ লাখ মানুষের জন্য এ খরচ ধরা হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) সকালে জাতিসংঘের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান ২০২৬ উদ্বোধনের সময় এ তথ্য জানানো হয়। যেখানে প্রতিবারের মতোই খাদ্য নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ খরচ ধরা হয়েছে ২৫৩ মিলিয়ন ডলার। শেল্টারের জন্য ১৩২.৮ মিলিয়ন ডলার, নিরাপত্তার জন্য ৭৮ মিলিয়ন ডলার, পানি, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতার জন্য ৬৪ মিলিয়ন ডলার, শিক্ষায় ৫৪ মিলিয়ন ডলার এবং স্বাস্থ্য খাতে ৫৩ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এছাড়া দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার এবং পুষ্টি খাতে ৩১.৪ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। মোট চাহিদার বিপরীতে ১৫০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাকিটা দেওয়ার কথা রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দাতা সংস্থাগুলোর।

