spot_img

যুক্তরাষ্ট্র-নাইজেরিয়ার যৌথ অভিযানে আইএসের শীর্ষ নেতার মৃত্যু

অবশ্যই পরুন

যুক্তরাষ্ট্র ও নাইজেরিয়ার যৌথ সামরিক অভিযানে ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর শীর্ষ নেতা আবু বিলাল আল-মিনুকি’র মৃত্যু হয়েছে। নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবু’র বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ।

শনিবার (১৬ মে) এক বিবৃতিতে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, নাইজেরিয়ার সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে, যা ইসলামিক স্টেটের নেটওয়ার্কে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে।

এই অভিযানের ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আল-মিনুকি’কে বিশ্বব্যাপী আইএসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা এবং বিশ্বের অন্যতম ‘অ্যাক্টিভ টেররিস্ট’ বলে উল্লেখ করেন।

নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্টের দফতর জানায়, লেক চাদ অববাহিকায় আল-মিনুকি’র ঘাঁটিতে হামলা চালানো বিশেষ অভিযানে তার সঙ্গে আরও কয়েকজন সহযোগীর মৃত্যু হয়।

লেক চাদ অঞ্চলটি নাইজেরিয়া, চাদ, নাইজার ও ক্যামেরুনজুড়ে বিস্তৃত জলাভূমি এলাকা। বহু বছর ধরে এটি বোকো হারাম এবং ইসলামিক স্টেট ওয়েস্ট আফ্রিকা প্রভিন্সের কার্যক্রমের অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।

নাইজেরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও সামরিক সহযোগিতার ফলেই এই নির্ভুল অভিযান সফল হয়েছে।

সামরিক সূত্র জানায়, আল-মিনুকি সম্প্রতি আইএসের হেড অব জেনারেল ডিরেক্টরেট অব স্টেটস পদে উন্নীত হয়েছিলেন। এর আগে, তিনি সাহেল অঞ্চল ও পশ্চিম আফ্রিকায় আইএস-সংশ্লিষ্ট হামলা ও কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

নাইজেরিয়ার সামরিক মুখপাত্র সামালি উবা বলেন, ২০১৮ সালের বহুল আলোচিত ডাপচি স্কুলছাত্রীদের অপহরণেও তার সম্পৃক্ততা ছিল। ওই ঘটনায় একশ’র বেশি ছাত্রীকে অপহরণ করেছিল বোকো হারাম।

তিনি আরও বলেন, আইএসের উত্তর আফ্রিকাভিত্তিক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য আল-মিনুকি যোদ্ধাদের লিবিয়ায় পাঠাতেন। আইএসে যোগ দেওয়ার আগে, তিনি বোকো হারামের একজন ‘জ্যেষ্ঠ কমান্ডার’ ছিলেন।

এদিকে, ২০০৯ সালে উত্তর নাইজেরিয়ায় শরিয়াভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে বোকো হারাম সশস্ত্র অভিযান শুরু করে। পরে ২০১৫ সালে, সংগঠনটি ইসলামিক স্টেটের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করে। সে সময় সংগঠনটির নেতা ছিলেন আবু বকর শেকাউ। তাদের লক্ষ্য ছিল একটি ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে শরিয়া আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আল-মিনুকির মৃত্যু আইএসের আফ্রিকান ও বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের জন্য বড় ধাক্কা। এতে সংগঠনটির অর্থায়ন ও নেতৃত্ব কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়বে। তিনি নাইজেরিয়া সরকারের সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন মিনুকি আর আফ্রিকার মানুষকে আতঙ্কিত করতে পারবে না এবং আমেরিকানদের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনাও করতে পারবে না।

সাম্প্রতিক সময়ে সহিংসতা মোকাবিলায় নাইজেরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বেড়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকায় জাপানের প্রতিনিধিদল দেশটির প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণপত্র...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ