spot_img

শর্ত দিয়ে থালাপতি বিজয়ের প্রতি কংগ্রেসের সমর্থন

অবশ্যই পরুন

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে চমকপ্রদ সাফল্যের পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল ‘তামিলগা ভেট্টি কাজাগাম’-কে (টিভিকে) সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে কংগ্রেস। তবে এই সমর্থনের বিপরীতে একটি প্রধান শর্ত জুড়ে দিয়েছে দলটি। কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়েছে, বিজয়ের জোটে এমন কোনো ‘সাম্প্রদায়িক শক্তি’ থাকতে পারবে না, যারা ভারতের সংবিধানের মূল চেতনায় বিশ্বাসী নয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটি ও কংগ্রেস লেজিশলেটিভ পার্টি সম্মিলিতভাবে টিভিকে-কে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির (এআইসিসি) তামিলনাড়ু ইনচার্জ গিরিশ চোডাঙ্কর এক বিবৃতিতে বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্বের ভিত্তিতেই এই জোট। তবে আমাদের সমর্থন এই শর্তে কার্যকর হবে যে, জোটে কোনো সাম্প্রদায়িক শক্তির স্থান হবে না।

নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে, ২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় ১০৮টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে থালাপতি বিজয়ের টিভিকে। ৬২ বছর পর রাজ্যটির রাজনীতিতে ডিএমকে ও এআইডিএমকে-র চিরাচরিত দ্বিদলীয় আধিপত্যের অবসান ঘটল। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮টি আসনের ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে বিজয়ের আরও ১০টি আসন প্রয়োজন।

কংগ্রেসের ৫ জন বিধায়ক বিজয়ের শিবিরে যোগ দিলে তাঁর শক্তি দাঁড়াবে ১১২-তে। প্রয়োজনীয় বাকি আসনগুলোর জন্য বিজয় ইতোমধ্যে ভিসিকে, সিপিআই এবং সিপিএম-এর মতো বাম দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন। এই দলগুলো সমর্থন দিলে বিজয়ের মোট আসন দাঁড়াবে ১১৯-এ, যা সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত।

রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে বিজয়ের দল ও এআইডিএমকে-র সখ্য নিয়ে। চেন্নাইতে এআইডিএমকে প্রধান ইডাপ্পাদি কে পালানিস্বামীর বাসভবনে টিভিকে কর্মকর্তাদের বৈঠক বিজেপির সঙ্গে এআইডিএমকে-র পুরনো জোটে বড় ফাটলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এই সমঝোতা কেবল সরকার গঠন পর্যন্তই সীমিত থাকবে না। আগামীতে স্থানীয় সরকার এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা নির্বাচনেও এই জোট একযোগে কাজ করবে।

বিবৃতিতে রাহুল গান্ধী ও থালাপতি বিজয়ের যৌথ অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, তামিলনাড়ুর জনগণের ঐতিহাসিক রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রগতিশীল সরকার গঠনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন পূরণে তাঁরা বদ্ধপরিকর।

উল্লেখ্য, বিজয় নিজে ত্রিচি ইস্ট এবং পেরাম্বুর—এই দুটি আসনেই জয়ী হয়েছেন। দলীয় সূত্রমতে, তিনি ত্রিচি ইস্ট আসনটি ছেড়ে দিতে পারেন, যার ফলে সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে, এই নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে শাসকদল ডিএমকে। গতবারের তুলনায় অনেকটা পিছিয়ে পড়ে তারা মাত্র ৫৯টি আসনে জয় পেয়েছে। আর এআইডিএমকে পেয়েছে ৪৭টি আসন।

সর্বশেষ সংবাদ

অভিবাসী অধিকার ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান বাংলাদেশের

অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর ও সমন্বিত বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ