ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতি চলাকালীন মার্কিন বাহিনী নতুন করে অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ এবং সামরিক কৌশল ঢেলে সাজাচ্ছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
সংবাদ সম্মেলনে সেন্টকম কমান্ডার ব্র্যাড কুপার বলেন, মার্কিন সেনারা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও রণকৌশল, কারিগরি পদ্ধতি এবং প্রক্রিয়াসমূহ নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে।
এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে প্রায় সাত সপ্তাহের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য হিল।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর বরাত দিয়ে দ্য হিল জানায়, যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের প্রায় অর্ধেক মজুত ব্যবহার করেছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় অর্ধেকের বেশি ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল মোট মজুতের প্রায় ৪৫ শতাংশের বেশি ইরানে ছোঁড়া হয়েছে।
এছাড়া যুদ্ধে ‘টমাহক’ ক্ষেপণাস্ত্র, ‘জ্যাসম’, ‘এসএম-৩’ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘এসএম-৬’ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
সিএসআইএস বলছে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি অভিযানে এসব অস্ত্রের মজুত ব্যাপকভাবে ব্যবহার করায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এক থেকে চার বছর সময় লাগতে পারে।

