যুক্তরাষ্ট্রে যৌন অপরাধে দণ্ডিত জেফ্রি এপস্টেইন–সংক্রান্ত নতুন নথি প্রকাশের পর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্রিটেনের প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্সেস ক্যাথরিন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কেনসিংটন প্যালেসের এক মুখপাত্র জানান, সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্য ও অভিযোগে তারা ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’ এবং তাদের মনোযোগ এখনো পুরোপুরি ভুক্তভোগীদের দিকেই ঘুরপাক খাচ্ছে। খবর বিবিসির
এপস্টেইন-সংক্রান্ত এসব নথিতে রাজপরিবারের সাবেক সদস্য অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের নাম নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কেনসিংটন প্যালেসের বিবৃতিতে তার নাম সরাসরি উল্লেখ না করা হলেও, চলমান বিতর্কের প্রেক্ষাপটেই এই প্রতিক্রিয়া এসেছে বলে মত দিয়েছেন পর্যবেক্ষকেরা।
গত সপ্তাহে অ্যান্ড্রু নির্ধারিত সময়ের আগেই উইন্ডসরের রয়্যাল লজ ছাড়েন। আগে বাকিংহাম প্যালেস জানিয়েছিল, তিনি ২০২৬ সালের শুরুতে বাসভবনটি ছাড়বেন। তবে নতুন তথ্য সামনে আসায় তার স্থানান্তর দ্রুত হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি রাজা তৃতীয় চার্লসের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন স্যান্ড্রিংহাম এস্টেটে অবস্থান করছেন।
এপস্টেইনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং ২০০৮ সালে শিশু যৌন অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার পরও তার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার কারণে অ্যান্ড্রু আগেও সমালোচিত হয়েছেন। তিনি কোনো অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে এলেও, যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত নতুন নথিতে কিছু ছবি ও ইমেইল নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
এরই মধ্যে থেমস ভ্যালি পুলিশ জানিয়েছে, আরেক নারী অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ করেছেন-যা তারা খতিয়ে দেখছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রিন্স উইলিয়ামের আসন্ন সৌদি আরব সফরের সময় এই কেলেঙ্কারি রাজপরিবারের অন্যান্য কার্যক্রমকে ছাপিয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

