spot_img

উচ্চ রক্তচাপের ‘নতুন ওষুধ’ হতে পারে কলা, যা বলছে গবেষণা

অবশ্যই পরুন

ঘরে বসেই দ্রুত উচ্চ রক্তচাপ কমাতে চান তবে ডায়েটে প্রতিদিন একটি ফলকে গুরুত্ব দিন। গবেষণা বলছে, নিয়মিত একটি ফল খাওয়ার অভ্যাস।

হাইপারটেনশন বা হাই প্রেশারকে বাংলায় উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। এটি একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। এটি তখনই ঘটে যখন ধমনিতে রক্তের অত্যধিক চাপ পড়ে।

চিকিৎসা শাস্ত্রে, স্বাভাবিক রক্তচাপ হলো ১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ চাপ। তবে রক্তচাপ যখন এর বেশি যেমন ১৪০/৯০ মিলিমিটার পারদ চাপের বেশি হয়, তখন ওই অবস্থাকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনকে অনেক সময় অনেকেই ‘প্রেশার’ হিসেবে অভিহিত করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাই প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপে রোগীদের সব সময়ই সতর্ক থাকতে হবে। কেননা এ রোগটিই অন্যান্য শারীরিক নানা জটিলতা তৈরির কারণ। রক্তনালীর সমস্যা তৈরির পাশাপাশি স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের কারণও এই উচ্চ রক্তচাপ। তাই ডায়েট লিস্টে উচ্চ রক্তচাপের রোগীর এমন খাবার প্রাধান্য দেয়া প্রয়োজন যা দ্রুত হাইপারটেনশন কমাতে পারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনোমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, হাই প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজে আসে কলা। বারোমাসি এ ফলকেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন উচ্চ রক্তচাপে নতুন ‘ওষুধ’।

এ প্রসঙ্গে কলম্বাসের ওহায়ো স্টেট ইউনিভার্সিটির মেডিক্যাল সেন্টারের খাদ্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক কোলিন স্পিজ বলন, প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কলার থেকে সেরা কিছু নেই।

এদিকে আমেরিকান জার্নাল অফ ফিজিওলজি-রেনাল ফিজজিওলজির নতুন একটি গবেষণা থেকে জানা যায়, উচ্চ পরিমাণে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ শরীরে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দ্রুত প্রতিরোধ করে। আর উচ্চ পটাশিয়ামের সেরা উৎস কলা।

‘জার্নাল অফ হিউম্যান হাইপারটেনশন’ শিরোনামে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খাবারে লবণ কমিয়ে দেয়ার চেয়পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ বেশি ভালো কাজ করে। এ সূত্র ৯০ ভাগ করেছে গবেষণায় অংশ নেয়া অংশগ্রহণকারীর মধ্যে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পটাশিয়াম দুইভাবে কাজ করে

১। শরীরে লবণ বা সোডিয়ামের উপস্থিতি যে খারাপ প্রভাব তৈরি করতে শুরু করে তা কমিয়ে দিতে পারে পটাশিয়াম।

২। পটাশিয়াম প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত সোডিয়াম (লবণ) বের করে দিতে সক্ষম।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কলা

উচ্চ পটাশিয়ামের সেরা উৎস কলা। তাই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কলা নিয়মিত খেতে পারেন। এ ফল বারো মাসই পাওয়া যায়। সহজলভ্য ও সস্তা। কলায় পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এ ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করার পাশাপাশি হার্ট ও ব্রেনের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে ডায়াবেটিস রোগীরাও নিয়মিত কলা খেলে  শর্করা এবং ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন। কলায় থাকা ম্যাগনেশিয়াম মানসিক চাপ কমিয়ে অনিদ্রা দূর করতেও দারুণ কার্যকরী।

সর্বশেষ সংবাদ

ইরানের হামলায় মার্কিন নৌবহরের সরবরাহব্যবস্থা বিপর্যস্ত: নিউইয়র্ক টাইমস

যুদ্ধের শুরুতে ইরান বাহরাইনে অবস্থিত একটি মার্কিন নৌঘাঁটিতে হামলা চালায়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ কার্যক্রম বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ