spot_img

মক্কা-মদিনায় হামলায় ক্ষুব্ধ ওআইসি, সৌদির পাশে থাকার ঘোষণা

অবশ্যই পরুন

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে হুতি গোষ্ঠীর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মুসলিম দেশগুলোর জোট অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)। সংস্থাটি এসব হামলাকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে সৌদির পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনা অঞ্চলসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ইরান সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দেয়া এক বিবৃতিতে ওআইসি এসব কথা জানায়। বিবৃতিতে ওআইসি বলেছে, হুথি গোষ্ঠীর চালানো এসব ‘জঘন্য হামলার’ উদ্দেশ্য ছিল বেসামরিক মানুষকে আতঙ্কিত করা, পবিত্র স্থান ও মসজিদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা এবং বিশ্বের মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করা।

ওআইসি আরও বলেছে, পবিত্র স্থান, মসজিদ ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলা ‘সন্ত্রাসবাদ’ এবং এটি ইসলামের মূল্যবোধ, আন্তর্জাতিক রীতি ও আইনের পরিপন্থি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা লঙ্ঘন করা ‘এমন একটি অপরাধ, যা কোনোভাবেই গ্রহণ বা বরদাশত করা যায় না’। এ ধরনের হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঠেকানো প্রয়োজন বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

এছাড়া সৌদি আরবের প্রতি ‘পূর্ণ সংহতি’ প্রকাশ করেছে ওআইসি। একই সঙ্গে পবিত্র স্থান ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং দেশটির নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সৌদি সরকারের নেয়া পদক্ষেপগুলোর প্রতিও সমর্থন জানিয়েছে সংস্থাটি।

এর আগে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর ছোড়া একটি ড্রোন ভূপাতিত করে সৌদির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়। হুতিদের পক্ষ থেকে মক্কাকে লক্ষ্য করে এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা বলেও দাবি করেছে জোট।

জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ড্রোনটি সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শনাক্ত করে ধ্বংস করে। নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়। পরে এর ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণে গিয়ে পড়ে।

আল-মালিকি বলেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয়বারের মতো হামলার চেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ ও সেখানে আসা মুসল্লিদের নিরাপত্তা ‘রেড লাইন’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা ঠেকাতে জোট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

এর একদিন আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বছরের পর বছর তুলনামূলক শান্ত থাকার পর গত জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে সংঘাত আবারও বেড়েছে।

২০১৪ সালে হুতিরা রাজধানী সানা ও দেশটির কয়েকটি প্রদেশ দখল করার পর থেকে ইয়েমেনে যুদ্ধ চলছে। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করে।

সর্বশেষ সংবাদ

রাশেদ খাঁনকে নির্যাতনের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে: চিফ প্রসিকিউটর

কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) সাবেক এডিসি ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনকে নির্যাতনের অভিযোগ...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ