spot_img

ফিফা সভাপতিকে সরে যেতে বললেন উয়েফা প্রধান সেফেরিন

অবশ্যই পরুন

উয়েফা প্রধান আলেক্সান্দার সেফেরিন বলেছেন, তিনি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর স্থলাভিষিক্ত হতে আগ্রহী নন। তবে চাপের মুখে থাকা ফিফা সভাপতিকে পদত্যাগ করতে হবে, নতুবা নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য ইনফান্তিনোর ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন টুর্নামেন্ট পরিচালনায় বেসরকারি বিনিয়োগ আনার যে পরিকল্পনা তিনি করেছিলেন, তা বাতিল হয়েছে।

ইউরোপীয় ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা উয়েফা ফিফার প্রতিযোগিতা বয়কটের হুমকি দিয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি মহাদেশীয় ও জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনও ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছে।

তবে ইনফান্তিনোর স্থলাভিষিক্ত হওয়ার দৌড়ে নিজেকে বাইরে রেখেছেন সেফেরিন। ৫৮ বছর বয়সী স্লোভেনীয় সোমবার দ্য রেস্ট ইজ পলিটিক্স পডকাস্টে বলেন, “আমি আগ্রহী নই, দুটি কারণে। একটি কারণ হলো, আমি উয়েফাকে ভালোবাসি এবং এখানে কাজ করতে ভালোবাসি। আর আমার মনে হয়, একটা পর্যায়ে জীবনটাকেও একটু উপভোগ করার সময় আসে। আর দ্বিতীয় বিষয় হলো, আমি যদি এই পদের প্রতি আগ্রহী না থাকি, তাহলে আমার বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক, অনেক বেশি থাকে।”

ফিফা টুর্নামেন্ট পরিচালনার জন্য একটি কোম্পানিতে বেসরকারি বিনিয়োগ নেওয়ার বিতর্কিত পরিকল্পনার কথা ইনফান্তিনো প্রকাশ করার পর থেকেই তার কঠোর সমালোচনা করে আসছেন সেফেরিন।

এখন তিনি মনে করছেন, ইনফান্তিনোর একসময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থান হুমকির মুখে পড়েছে। সেফেরিনের পূর্বাভাস, আগামী মার্চে মরক্কোতে অনুষ্ঠেয় পরবর্তী ফিফা কংগ্রেসে পুন:নির্বাচনে অংশ নিলে ইনফান্তিনোকে হয় পদ ছাড়তে হবে, নয়তো নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।

সাবেক উয়েফা মহাসচিব ইনফান্তিনো ২০১৬ সালে সেপ ব্লাটারের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ফিফা সভাপতি হওয়ার সময় ইউরোপের দেশগুলোর ব্যাপক সমর্থন পেয়েছিলেন।

তবে সেফেরিন জানান, বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি বলেন, বিতর্ক শুরুর পর থেকে ইনফান্তিনোর সঙ্গে তার আর কথা হয়নি।

সেফেরিন বলেন, “দুটি পথ রয়েছে। একটি হলো, ইনফান্তিনো বুঝতে পারেন যে তার সমর্থন নেই। আর সেটা শুধু ভোটদাতাদের রাজনৈতিক সমর্থন নয়; ফুটবল সম্প্রদায়ের সমর্থন, সমর্থকদের সমর্থন, খেলোয়াড়, সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের সমর্থনও নেই।”

“আর দ্বিতীয় পথ হলো, তিনি মার্চের নির্বাচনে যান। কিন্তু সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় তার বিরুদ্ধে একজন প্রার্থী থাকবেন। কে হবেন, তা আমি এখনও জানি না।”

কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তাগলিয়ানি এবং এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল-খলিফাকে ইনফান্তিনোর পদে সম্ভাব্য দুই প্রধান চ্যালেঞ্জার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সপ্তাহান্তে ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে স্থানীয় ও আঞ্চলিক ফুটবল কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইনফান্তিনো। যদিও মন্তগলিয়ানি তাকে সেখানে অনুষ্ঠিত একটি যুব টুর্নামেন্ট থেকে দূরে থাকার অনুরোধ করেছিলেন বলে খবর রয়েছে।

রোববার ফিফা প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনো তাকে ঘিরে চলা বিতর্কের দিকে ইঙ্গিত করেন বলে মনে হয়েছে।

তিনি বলেন, “সম্পৃক্ত থাকা, সংলাপ করা এবং মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ। গত কয়েক সপ্তাহে অনেক কিছু ঘটেছে এবং এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি শোনেন, মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং নিজের অনুভূতিগুলোও প্রকাশ করতে পারেন।তাই সামগ্রিকভাবে আমি ইতিবাচক এবং এখানে যে সমর্থন পাচ্ছি, তাতে আমি খুব, খুব খুশি।”

সূত্র: বাসস

সর্বশেষ সংবাদ

‘বাংলাদেশ আগে বোলিং পেলে অস্ট্রেলিয়া ৬০ রানে গুটিয়ে যেত’

ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় মাত্র দেড় দিনেই শেষ হয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্ট। যেখানে মুড়িমুড়কির...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ