spot_img

ঘুম ভাঙার পরই মোবাইল হাতে? অজান্তেই করছেন যেসব ক্ষতি

অবশ্যই পরুন

ঘুম থেকে উঠেই মোবাইলের স্ক্রিনে চোখ রাখার অভ্যাস অনেকেরই। অ্যালার্ম বন্ধ করা থেকে শুরু করে নোটিফিকেশন, মেসেজ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—দিনের শুরুটাই হয় ফোন দিয়ে। তবে এই অভ্যাস মানসিক চাপ ও অস্থিরতা বাড়াতে পারে।

ঘুম থেকে ওঠার পর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র পুরোপুরি সক্রিয় হতে কিছুটা সময় নেয়। এ সময় একসঙ্গে নানা তথ্য, বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট গ্রহণ করলে মস্তিষ্ককে দ্রুত সেগুলো প্রক্রিয়া করতে হয়। এতে দিনের শুরুতেই চাপ ও ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।

এর সঙ্গে কর্টিসল হরমোনের বিষয়টিও জড়িত। ঘুম থেকে ওঠার সময় শরীরে স্বাভাবিকভাবেই কর্টিসলের মাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকে। এই সময়ে উদ্বেগ তৈরি করে এমন খবর, পোস্ট, মেসেজ বা কাজসংক্রান্ত তথ্য দেখলে মানসিক চাপের অনুভূতি আরও তীব্র হতে পারে।

বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক খবর, বিতর্ক কিংবা অন্যের জীবনযাপনের সঙ্গে নিজের তুলনা দিনের শুরুতেই মনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এতে অস্থিরতা, বিরক্তি ও মনোযোগের ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

আরেকটি সমস্যা হলো, ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল হাতে নেওয়া সহজেই দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়। ‘একটু দেখি’ দিয়ে শুরু হলেও কখন যে কয়েক মিনিট পেরিয়ে যায়, তা অনেক সময় বোঝা যায় না। এতে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর ও মস্তিষ্ককে ধীরে ধীরে দিনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ কমে যায়।

তাই ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল হাতে না নেওয়াই ভালো। সম্ভব হলে অ্যালার্মের জন্য আলাদা ঘড়ি ব্যবহার করা যেতে পারে। ঘুম থেকে ওঠার পর অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট ফোন থেকে দূরে থেকে পানি পান, হালকা হাঁটাহাঁটি, জানালা খুলে আলো-বাতাস নেওয়া কিংবা দিনের কাজের পরিকল্পনা করার মতো অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।

দিনের প্রথম কয়েক মিনিট কীভাবে কাটছে, সেটিও মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঘুম ভাঙার পরই নোটিফিকেশনের জগতে ঢুকে পড়ার বদলে মস্তিষ্ককে স্বাভাবিকভাবে সক্রিয় হওয়ার কিছুটা সময় দেওয়া ভালো।

সর্বশেষ সংবাদ

৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণীর বইয়ে এআই, রোবোটিক্স, মেশিন লার্নিং ও সাইবার সিকিউরিটিকে গুরুত্ব: মাহ্দী আমিন

আগামী শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বইয়ে এআই, রোবোটিক্স, মেশিন লার্নিং ও সাইবার সিকিউরিটিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ