spot_img

ভোট দিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

অবশ্যই পরুন

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদকক্ষে ভোট গ্রহণ চলবে। ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।

নির্বাচনে প্রার্থী দুজন। ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ। সংসদে বিএনপির সদস্য ২৪৭ জন। সংখ্যার এই ব্যবধানের কারণে মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া কার্যত নিশ্চিত। তবে দুজন প্রার্থী থাকায় তফসিল অনুযায়ী ভোট গ্রহণ করতে হচ্ছে।

১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ওই বছরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রথম ভোট হয়েছিল। পরবর্তী সাতজন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন।

যেসব নির্দেশনা পালন করবেন সংসদ সদস্যরা

১. সংসদ কক্ষে প্রবেশ: ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করে ব্যালট সংগ্রহ করে ভোট দিতে হবে। এ সময় বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।

২. আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে: সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় থেকে সরবরাহ করা আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে।

৩. ব্যালট সংগ্রহ: নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নিজের নাম ও বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত ব্যালট পেপার নিতে হবে। ব্যালটের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে তা সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছে ফেরত দিতে হবে।

৪. পছন্দের প্রার্থীকে ভোট: ব্যালটের নির্ধারিত অংশে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে নির্দিষ্ট ফাঁকা স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে ভোট দিতে হবে।

৫. ব্যালট বাক্সে জমা: ভোট দেওয়া শেষ হলে ব্যালট পেপার সংসদ কক্ষে রাখা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে।

৬. ব্যালট নষ্ট হলে: কোনো কারণে ব্যালট পেপার নষ্ট হয়ে গেলে তা ব্যালট বাক্সে রাখার আগে নির্বাচনকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে হবে। নির্বাচনকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

৭. নির্বাচনী প্রচার নিষিদ্ধ: ভোট গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের বৈঠকে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচার, বক্তব্য বা ভাষণ দেওয়া যাবে না।

৮. সমস্যায় চিফ হুইপের শরণাপন্ন: ভোট দেওয়ার সময় তাৎক্ষণিক কোনো সমস্যার সৃষ্টি হলে চিফ হুইপ ও বিরোধীদলের চিফ হুইপের শরণাপন্ন হতে হবে।

৯. পূর্ণ নাম লিখতে হবে: ব্যালট পেপারে যেখানে ভোটারের পূর্ণ স্বাক্ষরের কথা বলা হয়েছে, সেখানে পূর্ণ নাম লিখতে হবে।

বিকাল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হবে। কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ ও বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব করা হবে। এরপর প্রার্থীদের প্রাপ্ত বৈধ ভোট গণনা করা হবে। সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশন থেকে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।

এর আগে গত ২৪ জুলাই অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ৬ আগস্ট শূন্য পদে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি।

গত ১৩ আগস্ট বিএনপি মনোনীত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্য মনোনীত অলি আহমদ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাইয়ে দুই প্রার্থীর মনোনয়নই বৈধ হয়।

সর্বশেষ সংবাদ

ট্রাম্প বাড়াবাড়ি করলে ইউরোপেও হামলার ছক ইরানের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়লে সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের সীমানা পেরিয়ে ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের -এর...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ