গাজায় যুদ্ধ বন্ধ ও যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা পুনরুজ্জীবিত করতে মিসরে হামাসের নেতাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছেন মার্কিন দূত ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
মিসরের আল-আলামিনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা খলিল আল-হায়া এবং বোর্ড অব পিসের পরিচালক নিকোলাই ম্লাদেনভ অংশ নেন। এর আগে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গেও বৈঠক করেন কুশনার।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি ও যুদ্ধ-পরবর্তী কাঠামোর কয়েকটি ধারা প্রত্যাখ্যান করার পর নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। শান্তি পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করতে কুশনার নেতানিয়াহুসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে মার্কিন রোডম্যাপ গ্রহণে ইসরায়েলের আপত্তির কঠোর সমালোচনা করেছে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার আটটি দেশ। জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলি অবস্থানের নিন্দা জানিয়েছেন।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন উদ্যোগটি ব্যর্থ হলে গাজায় একটি স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে চলমান আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজের কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসেননি। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা ও সামরিক উপস্থিতির প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
এ অবস্থায় গাজা যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন উদ্যোগ কতটা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে, তা নিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

