ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি মঙ্গলবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক নতুনভাবে পুনর্গঠন করা প্রয়োজন, যাতে তা যুদ্ধ-পরবর্তী কৌশলগত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।’
তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে একটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা প্রণয়নের লক্ষ্যে বর্তমানে জটিল আলোচনা চলছে। হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর দায়িত্ব ওমানের রয়েছে। আল-বুসাইদির মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় হুমকি এই অঞ্চল থেকে নয়; বরং বাইরের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ থেকে আসে, বিশেষ করে ‘তেল আবিব’ থেকে।
তিনি আরও বলেন,‘সাম্প্রতিক যুদ্ধ ছিল একটি বিপর্যয়; এর জন্য জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন ছিল না এবং এটি ঘোষিত কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেনি।’
এদিকে, ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আকরামি-নিয়া মঙ্গলবার জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কোনোভাবেই পিছু হটবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুদ্ধের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, “যুদ্ধ, বৈরী সামরিক তৎপরতা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু হবে না। এটি পুনরায় খুলে দেওয়ার একমাত্র উপায় হলো ইরানি জনগণের অধিকারকে সম্মান করা।”
এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়, “পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত” হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ থাকবে। আইআরজিসি এ সিদ্ধান্তকে অঞ্চলে তাদের ভাষায় “মার্কিন হস্তক্ষেপ” বন্ধ করার দাবির সঙ্গে যুক্ত করে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে তীব্র পাল্টাপাল্টি হামলার পরই আইআরজিসির এ ঘোষণা আসে।
সূত্র: জর্ডান নিউজ

