ম্যাচের শুরুতেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধজুড়ে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও সমতায় ফিরতে পারেনি থ্রি লায়নরা। তবে বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত দারুণ এক প্রত্যাবর্তন করেছে তারা। কেইনের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। আগামী ৬ জুলাই শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো।
তবে ম্যাচটায় কঙ্গো যা করলো তাদের বাহবাই দিতে হবে। প্রতিপক্ষ নিয়ে ইংল্যান্ডের চিন্তার কারণ থাকার কথা নয়। দাপটের সঙ্গে সবুজ ঘাসে গোলের আনন্দে মেতে উঠার কথা। কিন্তু তারাও কিনা ৭৫ মিনিট পর্যন্ত তিলে তিলে মরে! ইংল্যান্ডের কাঁপন ধরে যায় ডাগ আউটে। সমর্থকরাও চোখের কোনে অশ্রু জমা করেন। দুশ্চিন্তায় থাকেন থমাস টুকেল।
এরপরই আসে মাহেন্দ্রক্ষণ। ৭৫ মিনিটে হেডে কঙ্গোর গোলরক্ষ এমপাসিকে ফাঁকি দেন। এরপর ঠিক ১১ মিনিট পর ডানপায়ের কোনাকুনি জোরালো শটে ভেঙে দেন বাধার দেয়াল। কঙ্গোর কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে কেইন ম্যাচের এপিটাফ লিখে ফেলেন।
বিস্তারিত আসছে …

