২০২৬ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় পাঠাচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি। উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের আসরে ক্লাবটির ১৯ জন খেলোয়াড় নিজ নিজ জাতীয় দলের হয়ে অংশ নিচ্ছেন, যা ইংলিশ ফুটবলে সর্বোচ্চ এবং বিশ্ব ফুটবলেও শীর্ষ।
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে সর্বশেষ ক্লাব ম্যাচ খেলা ১৯ ফুটবলারের মধ্যে চারজন জায়গা পেয়েছেন ইংল্যান্ডে। তারা হলেন গোলরক্ষক জেমস ট্রাফোর্ড এবং ডিফেন্ডার মার্ক গুহে, নিকো ও’রাইলি ও জন স্টোনস।
এদিকে পর্তুগালের বিশ্বকাপ দলে আছেন সিটির তিন খেলোয়াড়—অধিনায়ক বার্নার্দো সিলভা, রুবেন ডিয়াজ এবং ম্যাথুজ নুনেজ। এর মধ্যে বার্নার্দো সিলভা বিশ্বকাপের পর ক্লাব ছাড়ছেন বলেও জানা গেছে।
নেদারল্যান্ডস দলে রয়েছেন তিয়ানি রেইন্ডার্স ও নাথান আকে। অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়ার হয়ে খেলবেন মাতেও কোভাসিচ এবং ইয়াসকো গাভারদিওল।
এছাড়া বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সিটির অন্য খেলোয়াড়দের মধ্যে আছেন আর্লিং হল্যান্ড (নরওয়ে), ওমর মারমুশ (মিসর), রায়ান চেরকি (ফ্রান্স), জেরেমি ডকু (বেলজিয়াম), রদ্রি (স্পেন), রায়ান আত-নুরি (আলজেরিয়া), আঁতোয়ান সেমেনিও (ঘানা) এবং আব্দুলকদির খুশানোভ (উজবেকিস্তান)।
অবশ্য ধারে অন্য ক্লাবে খেলতে যাওয়া ফুটবলারদের এই তালিকায় ধরা হয়নি।
বিশ্বকাপে অন্তত ১০ জন খেলোয়াড় পাঠাচ্ছে এমন ক্লাবের সংখ্যা ১৮টি। এর মধ্যে ছয়টি ইংলিশ ক্লাব। ১৬ জন করে খেলোয়াড় নিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ এবং প্যারিস সেন্ট জার্মেই। ১৫ জন খেলোয়াড় নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে বার্সেলোনা এবং ১৪ জন নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে আর্সেনাল।
সবশেষ কাতার বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ১৭ জন খেলোয়াড় পাঠিয়েছিল বার্সেলোনা। সেবার ১৬ জন করে খেলোয়াড় নিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় ছিল ম্যানচেস্টার সিটি ও বায়ার্ন মিউনিখ। তবে এবার ৪৮ দলের সম্প্রসারিত বিশ্বকাপে ১৯ জন খেলোয়াড় পাঠিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে সিটি।
চার বছর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপে ১৬ জন খেলোয়াড় নিয়ে শীর্ষে ছিল ম্যানচেস্টার সিটি। দ্বিতীয় স্থানে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ এবং তৃতীয় স্থানে বার্সেলোনা।
এদিকে ইংল্যান্ডের ক্লাব সান্ডারল্যান্ডও এবার ১০ জন খেলোয়াড় পাঠাচ্ছে বিশ্বকাপে।

