spot_img

আবারও তেহরান সফরে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবশ্যই পরুন

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি সরকারি সফরে ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছেন। পাকিস্তানের চলমান মধ্যস্থতামূলক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার বিষয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) তেহরানে পৌঁছানো নাকভি ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিশেষ করে আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে।

তেহরানের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে নাকভি শেহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে তিনি তেহরান ও ওয়াশিংটনের চলমান আলোচনার বিষয়ে নির্দেশনা গ্রহণ করেন।

গত ৪৮ ঘণ্টায় নাকভি দুবার ইশকানদার মোমেনির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয় কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ফাঁকে।

যদিও পাকিস্তান সরকার এখনো এ সফর সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিনিধিদলের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, কিরগিজস্তান সফর শেষে নাকভি লাহোরে ফিরে যান এবং সেখান থেকে তেহরানের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

পাকিস্তানি সূত্রগুলোর দাবি, নাকভি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু “নতুন প্রস্তাব” উপস্থাপন করবেন। এসব প্রস্তাবের লক্ষ্য হলো বিদ্যমান অচলাবস্থা দূর করা এবং দুই পক্ষের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি অর্জনে সহায়তা করা।

সর্বশেষ তেহরান সফরের কয়েক দিন আগে নাকভি সাংহায় কোওপারেশন অরগানাইজেশনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে তার ইরানি সমকক্ষের সঙ্গে অন্তত তিনবার বৈঠক করেন।

মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের পর এটি নাকভির তৃতীয় তেহরান সফর।

সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, পাকিস্তানি মন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির একটি বিশেষ বার্তা বহন করছেন, যা ইসলামী বিপ্লবের নেতা মোজতবা খামেনির উদ্দেশ্যে প্রেরিত।

ফেব্রুয়ারি থেকে পাকিস্তান তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ইসলামাবাদ যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে এবং এপ্রিল মাসে দুই পক্ষের প্রথম দফা আলোচনা আয়োজন করে। তবে সেই আলোচনায় কোনো বড় অগ্রগতি অর্জিত হয়নি।

ইরান পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেও, ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের আচরণ এবং যুদ্ধবিরতির ধারাবাহিক লঙ্ঘনকে কূটনৈতিক অগ্রগতির প্রধান বাধা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে, যা তাদের পূর্ববর্তী হামলার প্রায় আট মাস পর সংঘটিত হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান এর জবাবে দ্রুত পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটির দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।

সূত্র: প্রেস টিভি

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী কর্মপরিকল্পনা আছে: মাহদী আমিন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি টেকসই, বাস্তবসম্মত ও যুগান্তকারী কর্মপরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ