নিত্যপণ্যের দামে কোণঠাসা সাধারণ মানুষ। আয়ের সঙ্গে মেলাতে পারছেন না খরচের হিসাব। যেমন নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের পাতে এক টুকরা মুরগির মাংস বিলাসিতার অংশ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সরবরাহ কমে যাওয়া আর জ্বালানির সংকটের দোহাই দিয়ে বাড়ানো হচ্ছে দাম।
রাজধানীর বাজারে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩৬০ টাকায়। দেশি মুরগির কেজি ৭০০ টাকা ছাড়িয়েছে। আর ব্রয়লারের কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা।
ডিমের বাজারেও চলছে নৈরাজ্য। গত সপ্তাহে যে ডিম বিক্রি হতো ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। তা এখন কিনতে হচ্ছে ১৩০ টাকায়। মহল্লার দোকানে দাম আরও একটু চড়া।
বেশিরভাগ সবজির দরেও ঊর্ধ্বমূখী প্রবণতা। মানভেদে বেগুনের কেজি হাঁকা হচ্ছে ১০০ থেকে ১৪০ টাকা। পটল, সীমের কেজিও শতকের ঘরে।
এদিকে, সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা যখন চলছে, তখন জ্বালানি সংকটে মিঠা পানির মাছের সরবরাহও কমেছে। দুইয়ে মিলে রাজধানীর মাছবাজার ঊর্ধ্বমুখী। প্রায় সব মাছের দামই কেজিতে আরও ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। ইলিশের দাম বরাবরই চড়া।
দোকানদাররা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। যা যুক্ত হচ্ছে পণ্যের দামে। আবার পাইকারি পর্যায়ে কোনো কোনো পণ্যের যোগান কমার কথাও বলছেন।

