বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে প্রবাসী ফুটবলারদের যুক্ত হওয়ার মিছিলে নতুন নাম ট্রেভর ইসলাম। হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমদের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের এই উদীয়মান প্রতিভাকে লাল-সবুজ জার্সিতে দেখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ২১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে ঘিরে দেশের ফুটবল অঙ্গনে ইতোমধ্যেই নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
ট্রেভর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বনামধন্য স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়ছেন। পাশাপাশি খেলছেন সে দেশের অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এনসিএএ ডিভিশন-১ লিগে। মূলত সেন্টার ফরোয়ার্ড হলেও উইঙ্গার হিসেবে মাঠের দুই প্রান্তেই সমান কার্যকর তিনি। গত বছর স্ট্যানফোর্ডের হয়ে উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের সুবাদে ‘এসিসি কো-অফেনসিভ প্লেয়ার অব দ্য উইক’ নির্বাচিত হয়েছিলেন এই তরুণ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রেভরের গোল করার দক্ষতা জাতীয় দলের আক্রমণভাগের দীর্ঘদিনের দুর্বলতা কাটাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহসভাপতি ফাহাদ করিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ট্রেভরের সঙ্গে প্রাথমিক যোগাযোগ শুরু হয়। চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি তাঁর জন্মনিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে পাসপোর্ট তৈরির প্রক্রিয়া চলছে, যা আগামী মে মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে পাসপোর্ট হাতে পেলেও এখনই জাতীয় দলে নামা হচ্ছে না ট্রেভরের। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা এবং এনসিএএ লিগের ব্যস্ততার কারণে চলতি বছরের জুন ও সেপ্টেম্বর উইন্ডোতে তাঁকে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বাফুফে আশা করছে, সবকিছু ঠিক থাকলে নভেম্বর উইন্ডোতে তাঁকে খেলানো যেতে পারে।
অবশ্য ২০২৭ সালের শুরু থেকে ট্রেভরকে নিয়মিত বাংলাদেশের জার্সিতে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছে বাফুফে সংশ্লিষ্ট সূত্র। প্রবাসী ফুটবলারদের এই অন্তর্ভুক্তি দেশের ফুটবলে নতুন কোনো দিগন্তের সূচনা করে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

